ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কোপ ভারতের হেঁশেলে, এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে জারি নতুন নির্দেশিকা
Connect with us

দেশের খবর

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কোপ ভারতের হেঁশেলে, এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে জারি নতুন নির্দেশিকা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির (War Situation) প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তেলের সঙ্কট প্রকট হয়ে উঠেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভারতের রান্নার গ্যাসের (LPG) জোগানে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্র সরকার রান্নার গ্যাস বুকিং-এর নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে গ্রাহকরা ২১ দিন নয়, বরং ২৫ দিন অন্তর সিলিন্ডার বুক (Booking) করতে হবে।

পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের (Petroleum Ministry) পক্ষ থেকে দেশের সমস্ত তৈল পরিশোধনাগারগুলিকে (Oil Refineries) দ্রুত এলপিজি উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রকের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জ্বালানির জোগানে ব্যাঘাত ঘটেছে, তাই অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোই এখন মূল লক্ষ্য। সাধারণ মানুষ যাতে সমানভাবে সিলিন্ডার পায় এবং কোনোভাবেই কালোবাজারি (Black Marketing) না হয়, তার জন্য নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে যাতে গ্যাসের অভাব না হয়, সেদিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সঙ্কট মোকাবিলায় ওয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলির ডিরেক্টরদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি (Committee) গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি মূলত হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি তদারকি করবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একটি সাধারণ পরিবারে বছরে ৭ থেকে ৮টি সিলিন্ডার লাগে, সেই হিসেবে ২৫ দিনের ব্যবধান খুব একটা সমস্যা তৈরি করবে না বলে মনে করছে কেন্দ্র।

Advertisement
ads

তবে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের (Commercial Cylinder) অভাবে দেশের বড় শহরগুলোতে হাহাকার শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের হোটেল অ্যাসোসিয়েশন (AHAR) জানিয়েছে, গ্যাসের অভাবে ইতিমধ্যেই ১০-২০ শতাংশ রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এই সংখ্যা ৬০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের হোটেল মালিকরাও একই সমস্যার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। অনেক রেস্তোরাঁ গ্যাস বাঁচাতে তাদের মেনু (Menu) ছোট করে দিচ্ছে। পাইপলাইন সংযোগহীন হোটেলগুলির ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে।

Continue Reading
Advertisement