“মেরে তবে জেলে যাব”— রক্তাক্ত পরিণতি দাম্পত্য অশান্তির, স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার
Connect with us

খুন

“মেরে তবে জেলে যাব”— রক্তাক্ত পরিণতি দাম্পত্য অশান্তির, স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ হুগলির দাদপুরের বিলাতপুর (Bilatpur) এলাকায় স্ত্রী খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য। অভিযুক্ত স্বামী রজব আলি (Rajab Ali) পলাতক। দীর্ঘদিনের দাম্পত্য অশান্তি এবং বধূ নির্যাতনের অভিযোগ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত বলে দাবি মৃতার পরিবারের।

পুলিশ সূত্রে খবর, রজব আলির বাড়ি সিঙ্গুরের পায়ড়াউড়া (Payraura) গ্রামে। স্ত্রী মনজুরা খাতুন (Manjura Khatun) দীর্ঘদিন ধরেই নির্যাতনের শিকার ছিলেন। প্রায় পনেরো দিন আগে রজব কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তাঁকে মারধর করেন। বাধ্য হয়ে মনজুরা দুই সন্তানকে নিয়ে ভদ্রেশ্বরের ন’পাড়ার (Napara) বাপের বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং বধূ নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন।

এরপর রজব তাঁকে ফোন করে সংসার টিকিয়ে রাখার আশ্বাস দেন। সেই বিশ্বাসে মনজুরা ফের শ্বশুরবাড়ি ফিরে আসেন। কিন্তু কিছুদিন আগে ভদ্রেশ্বর থানার শ্বেতপুর ফাঁড়ি (Swetpur Outpost) থেকে রজবকে ডেকে পাঠিয়ে পুলিশ সতর্ক করে। এর পরেই বৃহস্পতিবার গভীর রাতে স্ত্রীর কাছে ফোনে হুমকি দেয় রজব। তাঁর বক্তব্য ছিল— “তোকে মেরে তবেই জেলে যাব।”

Advertisement
ads

অভিযোগ, আতঙ্কিত মনজুরা এক প্রতিবেশী মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে দুই সন্তানকে বাবার বাড়ি পাঠানোর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথেই বিলাতপুরে স্বামী রজব তাঁদের আটকে দেয়। সন্তানদের এক বন্ধুর মাধ্যমে বাড়ি ফেরানো হলেও মনজুরাকে রাস্তায় পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ওই মহিলা তৎক্ষণাৎ মৃতার বাপের বাড়িতে ফোন করে খবর দেন।

রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে (Chinsurah Imambara Hospital) ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। দাদপুর থানার পুলিশ খুনের মামলা রুজু করেছে এবং অভিযুক্ত রজব আলির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

এই নৃশংস ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, পুলিশের সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও কেন এমন ঘটনা ঘটল, সেই দিকেই এখন নজর তদন্তকারীদের।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement