‘ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র ছুঁতেও দেব না’, কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প
Connect with us

হামলা

‘ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র ছুঁতেও দেব না’, কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ইরানের (Iran) সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথে হাঁটার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। কাতারের লুসাইল প্রাসাদে (Lusail Palace) আয়োজিত এক নৈশভোজ সভা থেকে তিনি জানান, “আমরা ইরানের অগ্রগতি চাই, তবে তা যেন হয় শান্তিপূর্ণভাবে, কোনও ভয়াবহ পথ নয়।”

ট্রাম্প আরও বলেন, “ইরান বারবার যুদ্ধের পথে পা বাড়ায়, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এবার আমরা সেটা আর হতে দেব না।” একইসঙ্গে কাতারের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, “এই উপসাগরীয় দেশটিতে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে।” তিনি আমেরিকা ও কাতারের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক বন্ধুত্বের দিকটিও তুলে ধরেন। কাতারের নেতৃত্ব, বিশেষ করে আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির (Sheikh Tamim bin Hamad Al Thani) নেতৃত্বে উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

বুধবার লুসাইল প্রাসাদে (Lusail Palace) এক নৈশভোজ সভায় তিনি বলেন, “উপসাগরীয় অঞ্চল কাতারে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। দেশের এই অগ্রগতির জন্য আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে (Sheikh Tamim bin Hamad Al Thani) কাতার গর্বের সঙ্গে নেতৃত্বে রাখছে।”

আরও পড়ুনঃ ভারতে আইফোন তৈরিতে আপত্তি ট্রাম্পের, টিম কুককে ‘সরাসরি’ সতর্কবার্তা

Advertisement
ads

গাজা (Gaza) থেকে হামাসের (Hamas) হাতে বন্দি থাকা মার্কিন নাগরিকদের উদ্ধারে কাতারের কূটনৈতিক ভূমিকার জন্যও বিশেষ ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, “এডান আলেকজ়ান্ডার (Edan Alexander)-এর মুক্তির বিষয়ে আমরা আশাবাদী। একইসঙ্গে অন্যান্য আমেরিকান পণবন্দিদের মুক্তির ব্যাপারেও কাতার ইতিবাচক ভূমিকা নেবে বলে আশা করি।”

ট্রাম্পের মতে, “বর্তমানে আমেরিকা এবং কাতারের মধ্যে সম্পর্ক এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। এই বন্ধুত্ব আরও জোরালো হবে।”

উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্পের চলতি পশ্চিম এশিয়া সফরের (West Asia tour) মূল উদ্দেশ্য হল ১ লক্ষ কোটি ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। সফরের সূচনাতেই সৌদি আরবে (Saudi Arabia) ৬০ হাজার কোটি ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে আমেরিকা থেকে ১৪,২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম রফতানি করবে ওয়াশিংটন।

কাতার থেকেও উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ এবং প্রতিরক্ষা খাতে অংশীদারিত্বের বার্তা মিলেছে। সূত্র অনুযায়ী, কাতার এয়ারওয়েজ়ের (Qatar Airways) জন্য প্রায় ১০০টি বিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। মার্কিন সূত্রের খবর অনুযায়ী, ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ১৬০টিরও বেশি বিমান কিনবে কাতার। তবে হোয়াইট হাউস (White House) ঘনিষ্ঠ সূত্র উদ্ধৃত করে আল জাজিরার (Al Jazeera) প্রতিবেদন বলছে, ৯৬ বিলিয়ন ডলারে ২১০টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তিও।

Advertisement
ads

এই চুক্তিগুলি কাতার-আমেরিকা সম্পর্কের আর্থিক, কৌশলগত এবং কূটনৈতিক দিকগুলিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চলেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

Continue Reading
Advertisement