এইচ-১বি ফি বৃদ্ধি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া, মাস্ক বললেন ‘আমি নিজেও এসেছি এই ভিসায়’
Connect with us

বিশ্বের খবর

এইচ-১বি ফি বৃদ্ধি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া, মাস্ক বললেন ‘আমি নিজেও এসেছি এই ভিসায়’

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অভিবাসন (immigration) নীতির বিরুদ্ধে এবার প্রকাশ্যে মত দিলেন টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক। একসময় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মাস্ক এবার তাঁরই নেওয়া নতুন এইচ-১বি (H-1B) ভিসা নীতির বিরোধিতা করে বলেন, “আমি নিজেও আমেরিকায় এসেছি এইচ-১বি ভিসায়।”

সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছে, এখন থেকে এইচ-১বি ভিসার জন্য বার্ষিক ফি (fee) হবে ১ লক্ষ (100,000) মার্কিন ডলার। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বিদেশি বিশেষ করে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি (IT) কর্মীদের জন্য আমেরিকায় কাজ করা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে। ট্রাম্পের দাবি, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল মার্কিন কর্মীদের রক্ষা করা।

এই ঘোষণার পর, মাস্কের পুরোনো কিছু মন্তব্য আবারও সামনে এসেছে। তিনি এক সময় টুইটারে (বর্তমানে X) বলেছিলেন, “আমি এবং আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যারা টেসলা, স্পেসএক্স ও শত শত কোম্পানি তৈরি করেছেন, তারা এইচ-১বি ভিসার কারণেই আমেরিকায় কাজ করতে পেরেছেন। এই ভিসা পদ্ধতিই আমেরিকার প্রযুক্তি শিল্পকে এগিয়ে নিয়েছে।”

তবে একই দিনে মাস্ক তাঁর অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন এনে বলেন, এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার (reform) দরকার। তাঁর মতে, বিদেশি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন (minimum salary) বাড়ানো উচিত এবং নিয়োগের খরচ বাড়ানো উচিত, যাতে কোম্পানিগুলি সহজেই সস্তা বিদেশি শ্রমিক না নিয়ে বরং মার্কিন নাগরিকদের নিয়োগে উৎসাহ পায়।

Advertisement
ads

এই পরিস্থিতিতে, ট্রাম্প প্রশাসন ‘গোল্ড কার্ড ভিসা’ (Gold Card Visa) নামে নতুন একটি কর্মসূচির ঘোষণাও করেছে। এটি অধ্যাপক, বিজ্ঞানী, শিল্পী এবং ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে।

যদিও ট্রাম্পের এই নীতির বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের (legal challenge) সম্ভাবনা রয়েছে, তবে এটি কার্যকর হলে দক্ষ (skilled) বিদেশি কর্মীদের জন্য আমেরিকায় কাজ করার প্রক্রিয়া হবে আরও জটিল ও ব্যয়বহুল।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement