পণের দাবীতে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে, সুবিচারের আশায় পুলিশের দ্বারস্থ গৃহবধূর পরিজনেরা
Connect with us

মালদা

পণের দাবীতে গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে, সুবিচারের আশায় পুলিশের দ্বারস্থ গৃহবধূর পরিজনেরা

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা, চাঁচল, ১৯ মে : এক নববধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো মালদার চাঁচল থানার মহানন্দপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত গৃহবধূর নাম পঞ্চমী দেবী। মাসতিনেক আগে বিহার রাজ্যের পূর্নিয়া জেলার বাইসির বাসিন্দা পূর্ণিমার সঙ্গে বিয়ে হয় চাঁচল থানার মহানন্দপুরের বাসিন্দা প্রকাশ ঠাকুরের।

বিয়ের পর পণের জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজন পঞ্চমী দেবীর ওপর শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচার চালাত বলে অভিযোগ। এরপরেই বুধবার সকালে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় তার মেয়েকে হত্যা করার অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা।মৃত গৃহবধূর মা অঞ্জলি দেবী জানান, বিয়ের সময় শ্বশুরবাড়ির চাহিদা মত সমস্ত কিছু দেওয়া হয়েছিল। তার পরেও অতিরিক্ত টাকার দাবীতে মেয়ের ওপরে অত্যাচার চালাত। এরপরেও বেশ কয়েকবার টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বুধবার সকালে হঠাৎই খবর আসে যে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। কিছু মৃতদেহের মধ্যে বেশকিছু জায়গায় মারের দাগ ছিল নিশ্চিত তাকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।গৃহবধূর পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী প্রকাশ ঠাকুরকে গ্রেফতার করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। এই মৃত গৃহবধূর দিদা শীলা প্রামাণিক জানিয়েছেন, বিয়ের সময় সব ঠিক ছিল। কিন্তু তারপর থেকেই তার ওপর অত্যাচার শুরু হয়। এদিন সকাল সাতটা নাগাদ আচমকাই মেয়ের মৃত্যুর খবর আসে। মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকেরাই তাকে মেরে ফেলেছে। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবী তুলেছে পরিবারের সদস্যরা।।অন্যদিকে গৃহবধূর মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।ঘটনার তদন্তে নেমেছে চাঁচল থানার পুলিশ।