ভাইরাল খবর
জেলে মাদকের অভাবে কাহিল মুস্কান ও সাহিল, কঠোর নজরদারিতে অভিযুক্তরা
ডিজিটাল ডেস্ক আপডেটঃ প্রেমিকের সহায়তায় স্বামী সৌরভকে খুনের অভিযোগ রয়েছে মুস্কানের বিরুদ্ধে। হত্যার পর দেহ ১৫ টুকরো করে ড্রামে ভরে সিমেন্ট দিয়ে ঢেকে দেন তাঁরা। পরে সেখান থেকে পালিয়ে শিমলায় গা ঢাকা দেন। ফেরার পর তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। প্রতিবেশীদের দাবি, মুস্কানের আচরণ প্রথমে স্বাভাবিক থাকলেও সাহিলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর থেকেই বদলে যায়। প্রতিবেশীরা যখন সাহিল সম্পর্কে জানতে চান, তখন মুস্কান তাঁকে নিজের ‘ভাই’ বলে পরিচয় দিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, সৌরভকে খুনের পর মুস্কান একেবারেই স্বাভাবিক ছিলেন। এমনকি মৃতদেহ সরিয়ে ফেলতে স্থানীয় শ্রমিকদেরও ডেকেছিলেন। কিন্তু ড্রাম এত ভারী হয়ে গিয়েছিল যে, সেটি তুলতে ব্যর্থ হন শ্রমিকরা। পরে পুলিশের তদন্তেই পুরো ঘটনা ফাঁস হয়। প্রতিবেশীরা শিউরে উঠেছেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা শুনে। তাঁদের দাবি, মুস্কান ও সাহিলের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।
আরও পড়ুনঃপ্রেম, প্রতারণা নাকি কালো জাদু? সৌরভ হত্যাকাণ্ডে উঠছে নতুন প্রশ্ন
মেরঠের মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুত হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত স্ত্রী মুস্কান রস্তোগী ও প্রেমিক সাহিল শুক্লা জেলে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। দু’জনেই মাদকাসক্ত, কিন্তু জেলে সেটি একেবারেই পাচ্ছেন না। মাদকের জন্য ছটফট করছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, মুস্কান মরফিন ইনজেকশনের জন্য কান্নাকাটি করছেন, অন্যদিকে সাহিল মারিজুয়ানা চেয়ে অস্থির হয়ে উঠেছেন। তাদের ওপর কড়া নজর রেখেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দু’জনই দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত মাদক গ্রহণ করতেন। আকস্মিকভাবে সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের আচরণে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মুস্কানের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে পরীক্ষা করে জানান, তিনি মারাত্মকভাবে মাদকের উপর নির্ভরশীল। সাহিলও একইভাবে ছটফট করতে থাকেন। বর্তমানে চিকিৎসকেরা তাঁদের জন্য বিশেষ ডিটক্সিফিকেশন চিকিৎসা শুরু করেছেন।
জেলে আসার পর থেকেই দু’জনের খাওয়াদাওয়ার প্রতি অনীহা দেখা গেছে। কারা চিকিৎসকদের মতে, শারীরিকভাবে সুস্থ হতে তাঁদের অন্তত দশ দিন লাগবে, তবে মানসিকভাবে স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে আরও অনেক বেশি।
