ডিজিটাল ডেস্কঃ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার হলে কড়া নজরদারি শিক্ষকদের। নজরদারির জেরে পরীক্ষায় ঢুকতে পারেননি ছাত্র-ছাত্রীরা। এরপরই রাগের বসে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভাঙচুর চালালো উত্তেজিত পড়ুয়ারা। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল বিদ্যালয় চত্বর জুড়ে।উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল করতে পারেনি ছাত্র-ছাত্রীরা, যার জেরে ব্যাপক ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল দুই স্কুলের পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা এলাকায়। ঘটনায় দুই স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা সংসদের ডেপুটি সেক্রেটারি উৎপল বিশ্বাসকে চিঠি দিলেন ফারাক্কা ব্লকের নয়নসুখ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার দাস।
নয়নসুখ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, পরীক্ষা হলে নজরদারি থাকবে ইটা স্বাভাবিক। কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীরা রাগের বসে ভাঙচুর চালিয়েছে বিদ্যালয়ে। ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০টি টেবিল , ১৪টি লাইট , ৩০টি সিলিং ফ্যান, ১০টি চেয়ার, হাই ও লো বেঞ্চ মোট দিয়ে ২১টি।
প্রধান শিক্ষকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের ডেপুটি সেক্রেটারির কাছে ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৪৩০ টাকা দাবি কড়া হইলো। ক্ষতিপূরণের টাকা না পেলে আগামী দিনে নয়নসুখ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার সেন্টার কোনওভাবেই করা সম্ভব হবে না