সোশ্যাল মিডিয়া
পাকিস্তানি মেয়ে হলেও এখন আমি ভারতের পুত্রবধূ, আমাকে তারিয়ে দিবেন না: সীমা হায়দার
ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত পাকিস্তানিকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সীমা হায়দার, যিনি প্রেমের টানে পাকিস্তান ছেড়ে ভারতে এসেছিলেন এবং এখানেই নতুন জীবন শুরু করেছিলেন।
সীমার এখন স্পষ্ট আকুতি—“আমি আর পাকিস্তানের নই, আমি ভারতের পুত্রবধূ। দয়া করে আমাকে ফেরত পাঠাবেন না।” সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে আর্তি জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ পরিচয় ফাঁস মানেই মৃত্যু! পহেলগাঁও হামলার পর চরম সতর্কতা কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের
দুই বছর আগে, নেপাল সীমান্ত হয়ে চার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন সীমা। এরপর উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা শচীন মিনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ভারতের মাটিতে ধর্ম পরিবর্তন করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেন সীমা। সংসার জীবনও সাজাতে শুরু করেছিলেন। সম্প্রতি তাঁর কোল জুড়েও এসেছে এক কন্যাসন্তান।
কিন্তু দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে কেন্দ্রের কঠোর পদক্ষেপে সীমার স্বপ্নে ভাটার টান। ভিডিও বার্তায় সীমা জানিয়েছেন, তিনি আর পাকিস্তানে ফিরতে চান না। তাঁর আবেদন, “এখন আমি ভারতের অংশ। এখানেই থাকতে চাই।”
উল্লেখ্য, পাবজি গেমের মাধ্যমে শচীনের সঙ্গে আলাপ এবং প্রেমের সূত্রে সীমার জীবনে আসে এই নাটকীয় পরিবর্তন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে এখনও বেআইনি অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত তদন্ত চলছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানে থাকা তাঁর প্রাক্তন স্বামী গুলাম হায়দার সন্তানদের দাবি করে আদালতে মামলা করেছেন এবং সীমার বিবাহকেও অবৈধ বলে দাবি করেছেন।
বর্তমানে সীমা ও তাঁর পরিবার উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, কী হবে তাঁদের ভবিষ্যত, সেই উত্তর এখনও অজানা।
