হামলা
ভারতের হামলার প্রতিক্রিয়ায় দ্বিধায় ঢাকা! এরিমধ্যে , ইউনূসের বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভে এনসিপি
ডিজিটাল ডেস্কঃ নিশান্ত রাতে উত্তাল হয়ে উঠেছে ঢাকার রাজপথ। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসের (Mohammad Yunus) সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ (Jamuna) ঘিরে রেখেছে এনসিপি (NCP) নামক ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে আওয়ামী লিগ (Awami League) দলটিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করতে হবে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, বাড়ছে প্রশাসনিক উদ্বেগ।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ ইউনূসের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ (Hasnat Abdullah) ও তাঁর সমর্থকেরা। রাতভর চলা এই বিক্ষোভ শুক্রবার সকালেও অব্যাহত ছিল। আজ আরও বড় জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে, যার মূল কেন্দ্রস্থল নির্ধারিত হয়েছে যমুনা ভবনের পাশের ফোয়ারার সামনে।
আজ সকালে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে হাসনাত বলেন, “যতদিন না আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তার রাজনৈতিক স্বীকৃতি বাতিল করা হচ্ছে এবং বিচারের একটি নির্দিষ্ট রূপরেখা জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে, ততদিন এই রাজপথ আমরা ছাড়ব না।” তিনি আরও বলেন, “পুরো বাংলাদেশবাসীর প্রতি আমার আহ্বান—৫ আগস্ট বা গত জুলাই মাসে যেভাবে আপনারা রাজপথে নেমেছিলেন, আজকেও ঠিক সেইভাবেই নেমে আসুন। যমুনা ফোয়ারা থেকে শুরু করে বাংলামোটর পর্যন্ত রাস্তাকে জনসমুদ্রে পরিণত করুন।”
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারি (Nasiruddin Patwari) জানিয়েছেন, আজ জুমার নামাজের পর ছাত্রসমর্থকরা ফোয়ারার সামনে জমায়েত করবে। তাঁর কথায়, “আজ ফয়সালা হবে—কে আওয়ামী লিগের পক্ষে আর কে বিপক্ষে। এই আন্দোলন ফয়সালার মাধ্যমে শেষ করেই আমরা ঘরে ফিরব।”
বিশেষ সূত্রের দাবি, এনসিপির এই বিক্ষোভকে সমর্থন জানিয়েছে জামাতে ইসলামি (Jamaat-e-Islami)। ফলে আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে প্রশাসনিক মহলে।
চলমান রাজনৈতিক সংকটের আবহে ঢাকার এই ছাত্র আন্দোলন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
