সংবিধান মেনে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত। টুইট করে তাঁকে ধন্যবাদ জানালেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র
Connect with us

রাজনীতি

সংবিধান মেনে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত। টুইট করে তাঁকে ধন্যবাদ জানালেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক, ১৬ মার্চ : রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন স্বপন দাশগুপ্ত। এদিন স্বপন দাশগুপ্ত তাঁর পদত্যাগপত্র রাজ্যসভার চেয়ারপার্সন বেঙ্কাইয়া নাইডুর কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি তা গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।বিজেপির তরফ থেকে বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে তারকেশ্বর থেকে প্রার্থী করা হয়। এরপরেই বিতর্ক ওঠে।

পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে টুইটারে লিখেছেন, ‘উন্নততর বাংলা গড়ার যুদ্ধে নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে নিয়োজিত করতে আজ রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলাম। আশা করি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তারকেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে পারব।”ভারতীয় সংবিধানের দশম তফসিলি অনুযায়ী, একজন মনোনীত রাজ্যসভার সাংসদ যদি কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেন তবে তাঁর সাংসদ পদ বাতিল হয়ে যাবে। স্বপন দাশগুপ্ত মনোনীত সাংসদ। তাই তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করায় আপত্তি তুলেছিল শাসক দল। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডুকে চিঠি লিখে রাজ্যসভা থেকে স্বপন দাশগুপ্তকে বরখাস্ত করার আবেদন জানাবে তারা।এই পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইট করে জানান, “ভারতীয় সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী, রাজ্যসভার মনোনীত সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তর সাংসদ পদ খারিজ হয়ে যাওয়া উচিত। শপথ গ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে কোনও দলে যোগ দিলে মনোনীত সাংসদের পদ খারিজ হয়ে যায়। স্বপন দাশগুপ্ত ২০১৬ সালের এপ্রিলে শপথ নেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর সাংসদ পদ বাতিল করা উচিত।”
এদিন সংবিধান মেনে ইস্তফা দেওয়ার জন্য নেটমাধ্যমে স্বপন দাশগুপ্তকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। টুইটারে তিনি লেখেন, “রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিলেন স্বপন দাশগুপ্ত। আপনাকে ধন্যবাদ স্যর। বাংলার নির্বাচনের জন্য শুভেচ্ছা রইল।”উল্লেখ্য, গত রবিবার স্বপন দাশগুপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক। যদিও মঙ্গলবার বিজেপি প্রার্থী ইস্তফা দেন তাঁর সাংসদ পদ থেকে। ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মেয়াদ ছিল তাঁর।

Advertisement
ads

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement