পাকিস্তানের বেইমানির পরও মার্কিন মধ্যস্থতায় সন্তুষ্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী
Connect with us

হামলা

পাকিস্তানের বেইমানির পরও মার্কিন মধ্যস্থতায় সন্তুষ্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: সংঘর্ষবিরতির নামে পাকিস্তানের বেইমানি আবারও প্রমাণিত। শনিবার বিকেলে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিল দিল্লি ও ইসলামাবাদ, যার মধ্যস্থতা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। অথচ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের গুলিবর্ষণ শুরু করে পাকিস্তান। এই প্রেক্ষিতেই প্রশ্নের মুখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস (Mohammad Yunus)।

যখন ভারতীয় সেনা পাক হামলার জবাবে সীমান্তে প্রতিরক্ষা জোরদার করছে, তখনই এক্স (X)-এ ইউনুসকে ধন্যবাদ জানাতে দেখা গেল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওকে (Marco Rubio)। পোস্টে লেখেন,
“মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং বিদেশসচিব রুবিওকে মধ্যস্থতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ তার দুই প্রতিবেশী দেশের পাশে আছে।”

এই মন্তব্য নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন—পাকিস্তান যখন যুদ্ধবিরতির নামে ড্রোন হামলা ও গুলিবর্ষণ চালায়, তখন কীভাবে একজন সরকারপ্রধান এমন দ্ব্যর্থহীন কৃতজ্ঞতা জানাতে পারেন?

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে রাজনৈতিক ভূকম্পন, আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা

Advertisement
ads

সূত্রের খবর, শনিবার বিকেল পাঁচটা থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণের মধ্যেই ফের পাক সেনা গুলিবর্ষণ শুরু করে। উধমপুরে (Udhampur) ড্রোন আটকানো হয়েছে বলে জানায় ভারতীয় সেনা। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় জম্মু, শ্রীনগর, রাজৌরি ও পাঞ্জাবের ফিরোজপুর এলাকায়। রাতেই নিরাপত্তার খাতিরে বারমের ও জয়সলমের-সহ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে করা হয় ব্ল্যাকআউট।

এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প-মধ্যস্থতা ও ইউনুসের (Yunus) কৃতজ্ঞতা জানানো ‘রাজনৈতিক সুবিধাবাদ’ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। তাঁদের মতে, ইউনুস সরকার ইতিমধ্যেই আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। এবার পাকপন্থী মনোভাব তুলে ধরেই আন্তর্জাতিক মহলে ‘নিরপেক্ষতার মুখোশ’ পরে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করছে ইউনুস প্রশাসন।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রতিফলন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসিনার অনুপস্থিতিতে ইউনুস সরকার একদিকে যেমন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এমন বার্তা দিচ্ছে যা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ভারত-মৈত্রী নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এই পরিস্থিতিতে দিল্লির তরফে এখনও কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া না এলেও, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষমতার নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা যে শুরু হয়ে গেছে, তা স্পষ্ট।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement