ভাইরাল খবর
পুলিশের উপর হামলা, মহেশতলায় কারফিউ, শুভেন্দুর যাওয়ার অনুমতি এখনও মেলেনি
ডিজিটাল ডেস্কঃ অশান্ত মহেশতলা! এখনও থমথমে এলাকা। চারপাশে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী, চলছে কারফিউ। পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা, লুটপাট, ভাঙচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪০ জনকে (40 People) গ্রেফতার করেছে প্রশাসন।
এদিকে বৃহস্পতিবার মহেশতলায় যেতে চেয়ে পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যদিও এখনও পুলিশ তাঁর অনুমতি দেয়নি। একই সঙ্গে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের (Governor) কাছে যেতে পারেন শুভেন্দু। বিজেপি সূত্রের খবর, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) নিজেও মহেশতলায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
ঘটনার সূত্রপাত বুধবার সকালে। আক্রা সন্তোষপুর (Akra Santoshpur) এলাকায় ফলের দোকান বসানো নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে বচসা। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়ায়। শুরু হয় ব্যাপক ভাঙচুর। ছাদ থেকে ইট, পাথর ছোড়া হয়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এডিজি (ADG) দক্ষিণবঙ্গ, ডিআইজি (DIG) প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ-সহ উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকেরা এলাকায় যান। কিন্তু জনতার রোষ সামলানো সহজ ছিল না। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় পাথরবৃষ্টি। পুড়িয়ে দেওয়া হয় একটি বাইক। ভাঙচুর চলে পুলিশের গাড়িতেও। উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় র্যাফ (RAF)। কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়, লাঠিচার্জও করতে বাধ্য হয় পুলিশ।
এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) হাতে ইতিমধ্যে ১২ জন এবং ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের হাতে ২৮ জন গ্রেফতার হয়েছে। নাদিয়াল থানায় (Nadia Police Station) চারটি এবং রবীন্দ্রনগর থানায় (Rabindranagar Police Station) তিনটি এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার ৪০ জন।
অশান্তির জেরে এলাকা জুড়ে চাপা উত্তেজনা। রাজনৈতিক মহলের দাবি, এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতৃত্ব বারবার রাজ্যপালের দ্বারস্থ হচ্ছে এবং শাসকদলকে কাঠগড়ায় তুলছে।
