মহেশতলা উত্তেজনা নিয়ে আলোচনার দাবি খারিজ, বিধানসভা উত্তাল, তুলসি গাছ হাতে রাজভবনের পথে বিজেপি বিধায়করা
Connect with us

ভাইরাল খবর

মহেশতলা উত্তেজনা নিয়ে আলোচনার দাবি খারিজ, বিধানসভা উত্তাল, তুলসি গাছ হাতে রাজভবনের পথে বিজেপি বিধায়করা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ ও মহেশতলার (Murshidabad & Maheshtala) অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় বিজেপির (BJP) মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ হতেই উত্তাল হয়ে উঠল রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার বিধানসভা অধিবেশনে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় (Biman Banerjee) মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি বিধায়কেরা। গেরুয়া পতাকা (Saffron Flag) হাতে নিয়ে সোজা স্পিকারের আসনের সামনে চলে যান তাঁরা। এরপর বিধানসভা চত্বর জুড়ে গর্জে ওঠে প্রতিবাদের স্লোগান।

বিজেপি সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ ও মহেশতলার সাম্প্রতিক অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু অধ্যক্ষ স্পষ্ট জানান, আদালতে বিচারাধীন (Sub-Judice) বিষয় বিধানসভায় তোলা যায় না। এরপরই বিজেপি বিধায়কেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়ে তাঁরা ঘিরে ধরেন স্পিকারের আসন। বিধানসভা চত্বর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুনঃ ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি আরও গভীর ষড়যন্ত্র? পুরীতে খুন হলেন জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েত!

বিরোধীদের এই আচরণের তীব্র নিন্দা করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। তবে বিজেপি বিধায়কেরা আন্দোলন থামাননি। শেষ পর্যন্ত স্পিকার ও বিধায়কদের মধ্যে এসে দাঁড়ান বিধানসভার কর্মীরা। বিজেপির প্রতিবাদ চলতেই থাকে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতেই অধিবেশন ছেড়ে বেরিয়ে যান পদ্ম শিবিরের বিধায়কেরা। বিধানসভা থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে ‘চোর’ (Thief) স্লোগান তুলতে শোনা যায়।

Advertisement
ads

এরপর মাথায় তুলসি গাছ (Tulsi Plant) নিয়ে রাজভবনের (Raj Bhavan) পথে পা বাড়ান শুভেন্দু-সহ বিজেপি বিধায়কেরা। জানা গিয়েছে, মহেশতলার অশান্তি নিয়ে বৃহস্পতিবারই রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের (C V Ananda Bose) সঙ্গে বৈঠক করবেন বিজেপি বিধায়কেরা।

সব মিলিয়ে মুর্শিদাবাদ ও মহেশতলা ইস্যু ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আদালতের অজুহাতে বিজেপির প্রস্তাব খারিজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। বিজেপির দাবি, রাজ্যে গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

Continue Reading
Advertisement