সাতমাস পর একটু হলেও স্বস্তি! মেয়ের ডেথ সার্টিফিকেট পেলেন অভয়ার বাবা-মা
Connect with us

কলকাতা

সাতমাস পর একটু হলেও স্বস্তি! মেয়ের ডেথ সার্টিফিকেট পেলেন অভয়ার বাবা-মা

Dwip Narayan Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক: বুধবার দুপুর বেলা স্বাস্থ্যভবন থেকে ইমেল করে বিষয়টি জানানো হয় আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার পরিবারকে। তারপর এমএসভিপিকে ফোন করেন নির্যাতিতার বাবা। কয়েক ঘণ্টা পর নির্যাতিতার সোদপুরের বাড়িতে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এবং আরজি করের এমএসভিপি। এরপর সন্ধেয় স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এবং আরজি করের এমএসভিপি নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে তাদের মেয়ে ডেথ সার্টিফিকেট হস্তান্তর করেন।

সাতমাস পর এবার একটু হলেও স্বস্তি মিললো। অবশেষে মেয়ের ডেথ সার্টিফিকেট হাতে পেলেন আরজি করের নির্যাতিতার পরিবার। দিনের পর দিন দোরে দোরে ঘুরে বেড়ানোর পর শেষমেশ মেয়ের ডেথ সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে খানিকটা হলেও স্বস্তি পেলেন অভয়ার বাবা-মা। তারা জানিয়েছেন, প্রথমে ২০২৪ সালে সেপ্টেম্বর মাসে ফোনে আবেদন জানান মেয়ের ডেথ সার্টিফিকেটের। জানুয়ারি মাসে লিখিত দেন। কিন্তু কোনও কারণ বসতো তা পেতে সময় লেগে এতোটা। আজ এখানে তো কাল ওখানে ঘুরতে হয়েছে এই অবস্থায়।

ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়ার পর নির্যাতিতার বাবা বলেন, আমার মেয়ের ডেথ সার্টিফিকেটের অরিজিনাল কপিটা দিয়ে গেলেন। বলেন, পরবর্তীকালে লাগলে দিয়ে দেবেন। আমাদের কাছে লিঙ্কও এসে গেছে, দরকার হলে প্রিন্ট আউট করে নেব। ডেথ সার্টিফিকেটের পিছনে লড়াইয়ে খানিকটা বিরক্তই হয়ে তিনি আরও বলেন, অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছিলাম।

আরও পড়ুন – দিশা সালিয়ানের মৃত্যু হত্যা নাকি দুর্ঘটনা? নতুন তদন্তের দাবি করলেন বাবা!

Advertisement
ads

আজ হঠাৎ করে ফোন আসে। আমি নিজে আরজি করে এমএসভিপিকে ফোন করেছিলাম। বলেছিলাম যে, দুপুরে অত কষ্ট করে ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়ার নেই। কায়দা করে দিতে হবে না, আমরা নিজেরা গিয়ে নিয়ে নেব। তারপর মেসেজ আসে যে, এখন তো দিয়ে গেলেন। ডেথ সার্টিফিকেট পেয়েছি। সকলকে ধন্যবাদ জানাই। যা চেয়েছিলাম ডেথ সার্টিফিকেটে তাই লেখা রয়েছে। ধন্যবাদ।

এর আগে অভয়ার বাবা-মা জানিয়েছিলেন যে, মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে গাড়ির কাগজের নাম ট্রান্সফার করতে গেলে ডেথ সার্টিফিকেট জরুরি। কিন্তু, কলকাতা পুরসভা এবং আরজি কর হাসপাতাল একে অপরকে দেখাচ্ছে। আরজি করে গেলে ওরা বলছে যে পুরসভায় যান আর পুরসভায় গেলে ওনারা বলছে আরজি করে যান। প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না এও কথা বলেছে। অবশেষে মেয়ের ডেথ সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে খানিকটা হলেও স্বস্তিতে নির্যাতিতার পরিবার।

আরও পড়ুন – শাশুড়িকে বাড়িতে ঢুকতে বাধা! পুত্রবধূর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

Advertisement
ads