পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় আটকে পরেছেন রায়গঞ্জের এক পরিবার
Connect with us

হামলা

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় আটকে পরেছেন রায়গঞ্জের এক পরিবার

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হল শান্তির উপত্যকা। পর্যটনে মেতে ওঠা নিরীহ মানুষদের উপর আচমকা চালানো এই বর্বর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৬ জন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ও তিন জন। এই নির্মম ঘটনায় শোকাহত সারা দেশ। নিরাপত্তা ব্যবস্থার বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে এই ঘটনা।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই হামলার সঙ্গে জড়িত রয়েছে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। ইতিমধ্যেই সংগঠনটি একটি বিবৃতি জারি করে হামলার দায় স্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, এই ঘটনার জেরে শ্রীনগরে আটকে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের বাসিন্দা তুষার চৌধুরী। পেশায় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কর্মী তুষার বর্তমানে কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোরে থাকেন। তবে কিছুদিনের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে কাশ্মীর বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। ভয়াবহ হামলার জেরে পর্যটন বন্ধ, জারি হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। বিমান ও সড়ক যোগাযোগে প্রভাব পড়ায় তিনি আপাতত শ্রীনগরেই আটকে রয়েছেন বলে খবর।

আরও পড়ুনঃ পহেলগাঁওয়ে হত্যাকাণ্ডে লস্কর ও পাকিস্তানকে ধন্যবাদ! ‘উৎসব পালনের ডাক’ ঝাড়খণ্ডের এক মৌলবির

Advertisement
ads

এই ভয়াবহ পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে তার সাথে টেলিফোন যোগাযোগ করেছিলেন আরসিটিভি সংবাদ। তুষার ফোনে জানিয়েছেন, ‘‘আমরা আপাতত হোটেলেই রয়েছি। বাইরে বেরনোর অনুমতি নেই। হোটেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় পুলিশ আমাদের সুরক্ষায় সর্বতোভাবে সহযোগিতা করছেন। তবে পরিবেশ খুব টানটান, আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।’’

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাও রয়েছেন। মৃতদের দেহ রাজ্যে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।  এই ঘটনার পর থেকে কাশ্মীর উপত্যকায় জারি রয়েছে চিরুণি তল্লাশি। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে বিশেষ নজরে রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বিমানবন্দর, রেল স্টেশন ও পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে।

দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, “কাশ্মীরের মাটিতে সন্ত্রাসবাদের ঠাঁই নেই। যারা এই হামলার পিছনে রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।” কাশ্মীরের এই নিষ্ঠুর হামলা ফের একবার মনে করিয়ে দিল, উপত্যকায় স্থায়ী শান্তির পথে এখনও বহু পথ পেরোতে হবে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement