করোনা আবহে ভারতের আর্থিক বৈষম্য মারাত্মক পর্যায়ে, দাবী অক্সফ্যামের রিপোর্টে
Connect with us

দেশ

করোনা আবহে ভারতের আর্থিক বৈষম্য মারাত্মক পর্যায়ে, দাবী অক্সফ্যামের রিপোর্টে

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক , ২৬ জানুয়ারী : করোনাকালে এক অদ্ভূত সময়ের সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব। ভারতও এর ব্যতিক্রম নয়। গোটা বিশ্বের সাথে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল ভারতীয় অর্থনীতির গতিপথও। কাজ হারান লক্ষ লক্ষ মানুষ। বেতন কমেছে বহু সাধারণ মানুষের। কিন্তু করোনাকালে এক বিপরীত চিত্র দেখা গিয়েছে দেশীয় অর্থনীতিতে।

কিন্তু অতিমারি পরিস্থিতিতে আরো প্রকট হয়েছে দেশের ধনকুবের ও নিম্নআয়ের মানুষদের অর্থনৈতিক বৈষম্যর চিত্রটি। তাদের গবেষণায় এমনই দাবী করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অক্সফ্যাম। ওই রিপোর্টের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য ইনইক্যুয়ালিটি ভাইরাস’ অর্থাৎ ‘বৈষম্যের ভাইরাস’। কি রয়েছে এই রিপোর্টে :

) গত বছর মার্চে লকডাউন কার্যকর করার সময় থেকে ভারতের ১০০ ধনকুবেরদের যে পরিমাণ সম্পদ বেড়েছে তাতে তাঁরা দেশের প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লক্ষ দরিদ্রতম মানুষকে ৯৪ হাজার টাকা করে দান করতে পারতেন।
) রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের আর্থিক বৈষম্য মারাত্মক রুপ নিতে চলেছে। অতিমারির সময়ে রিলায়্যান্স কর্ণধার মুকেশ অম্বানীর ঘণ্টা পিছু যা আয় সেই পরিমাণ রোজগার করতে এক জন অদক্ষ শ্রমিকের প্রায় ১০ হাজার বছর লেগে যাবে।
) লকডাউনের সময় দেশের ধনকুবেরদের সম্পদ বেড়েছে গড়ে ৩৫ শতাংশ
) উল্টো দিকে ৮৪ শতাংশ পরিবারের আয় কমেছে বিভিন্ন ভাবে। গত বছর এপ্রিলেই প্রতি ঘণ্টায় কাজ হারিয়েছেন ১.৭ লক্ষ মানুষ।
) রিপোর্টে আরো দাবী করা হয়েছে, শহর এলাকায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো বিধি মেনে চলা ৩২ শতাংশ মানুষের কাছে বিলাসিতা মাত্র। কারণ তাঁরা বেশির ভাগই এক অথবা দুই কামরার বাড়িতে বসবাস করেন।

তবে শুধু ভারত নয়, কোভিডের সময়ে গোটা বিশ্বেরই আর্থিক বৈষম্যের কথা নিজেদের রিপোর্টে তুলে ধরেছে অক্সফ্যাম। ২০২০ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ধনকুবেরদের এই আর্থিক উন্নতি বিস্ময়কর বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে অক্সফ্যামের রিপোর্টে।

Advertisement
ads