কামারপুকুরে ধর্ম ও মানবতার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, রামকৃষ্ণ মঠে ১০ কোটি টাকার অনুদান
Connect with us

রাজনীতি

কামারপুকুরে ধর্ম ও মানবতার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, রামকৃষ্ণ মঠে ১০ কোটি টাকার অনুদান

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ হুগলির বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে ধর্ম ও মানবিকতার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার তিনি পৌঁছন খানাকুল, তারপর যান কামারপুকুরে। ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে নিজে হাতে পরিবেশন করেন খিচুড়ি। মন দিয়ে শোনেন তাঁদের কষ্টের কথা, দেন দ্রুত সমাধানের আশ্বাস।

এরপর তিনি রওনা দেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মস্থান কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে। সেখানেই উদ্বোধন করেন একটি নতুন অতিথি নিবাস ও পার্কিং লট। ঘোষণা করেন ১০ কোটি টাকার অনুদান। স্বামীজিদের উপস্থিতিতে মমতা বলেন,  হিন্দু ধর্ম বোঝার জন্য অন্য কোথাও যাওয়ার দরকার নেই। এখানেই শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রী মা সারদাদেবী, স্বামী বিবেকানন্দের কর্মক্ষেত্র।

আরও পড়ুনঃ একবছর আগে আজকের দিনেই বদলে গিয়েছিল বাংলাদেশ! মনে আছে সেই রাতের কথা?

সেইসঙ্গে ফের একবার বাংলা ভাষার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। বলেন, “তাঁরা যে ভাষায় কথা বলতেন, তা ছিল বাংলা। আজ বাংলা ভাষা ও বাঙালিকে যেভাবে হেয় করা হচ্ছে, তা বাংলার আত্মমর্যাদার বিরুদ্ধে।”

Advertisement
ads

মুখ্যমন্ত্রী স্বামী বিবেকানন্দের বাণী উদ্ধৃত করে বলেন, ‘একতাই আমাদের বল/বিচ্ছিন্নতা পতনের কারণ।’  বিভাজনের রাজনীতিকে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, “আমরা ভাগাভাগিতে বিশ্বাস করি না। আমরা একসঙ্গে থাকি, লড়াই করি।”

তিনি শ্রীরামকৃষ্ণের “টাকা মাটি, মাটি টাকা” উক্তি স্মরণ করিয়ে বলেন, চরিত্র গঠনের জন্য রামকৃষ্ণ, সারদা ও বিবেকানন্দের আদর্শ আজও প্রাসঙ্গিক। উল্লেখ করেন ‘কথামৃত’ ও ‘তরুণের স্বপ্ন’ বইয়ের কথাও।

এই সফরে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা স্পষ্ট— ধর্ম, মানবতা ও ভাষার আত্মসম্মান রক্ষায় বাংলা কখনও মাথা নত করবে না।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement