বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের মুখোশ উন্মোচনে সক্রিয় ভারতের সংসদীয় প্রতিনিধি দল
Connect with us

অপারেশন সিঁদুর

বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের মুখোশ উন্মোচনে সক্রিয় ভারতের সংসদীয় প্রতিনিধি দল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: নয়-এগারো (9/11) থেকে ছাব্বিশ-এগারো (26/11)—প্রতিটি ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান (Pakistan)। সন্ত্রাসে মদত দেওয়া রাষ্ট্রকে সমর্থন করার অর্থই হল বিশ্বে জঙ্গিবাদের হাত শক্ত করা। এই কড়া বার্তাই আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

দক্ষিণ কোরিয়ার (South Korea) রাজধানী সিওলে (Seoul), সোমবার ভারত-দক্ষিণ কোরিয়ায় আয়োজিত এক বিশেষ বৈঠকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। জানান, ভারত তার ঐক্য ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস করতে রাজি নয়। শুধু তাই নয়, বিশ্বের সমস্ত দেশকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান অভিষেক।

আরও পরুনঃবিকাশ ভবনে চাকরিহারাদের সঙ্গে শিক্ষা দপ্তরের বৈঠক

এই আন্তর্জাতিক সফরে সংসদীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন জেডিইউ (JDU)-র সাংসদ সঞ্জয় ঝা (Sanjay Jha)। দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জাপান সফর শেষ করে রবিবার তাঁরা পৌঁছেছেন দক্ষিণ কোরিয়ায়।

Advertisement
ads

 সিওলে সাংস্কৃতিক এক মিলনসভায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) কবিতার উল্লেখ করে দুই দেশের বন্ধুত্বের উপর আলোকপাত করেন অভিষেক। আর সোমবার তিনি সন্ত্রাস ও পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “পাকিস্তানকে সমর্থন মানেই জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেওয়া। পহেলগাঁও হামলা (Pahalgam Attack) শুধু ভারতের উপর আঘাত নয়, এটা গোটা বিশ্বের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।”

তিনি আরও জানান, পাকিস্তান বছরের পর বছর ধরে নিজেদের ভূখণ্ডে জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়েছে। ভারতের আর্থিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বকে রুখতেই তারা জঙ্গি হামলার পথ নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) উল্লেখ করে জানান, পহেলগাঁও হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে যে কড়া পদক্ষেপ ভারত সরকার নিয়েছে, তার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস একমত এবং পাশে রয়েছে।

বিশ্বের কাছে এই বার্তা দিতে গিয়েই তিনি বলেন, “ভারত কখনও সন্ত্রাসের সামনে মাথা নত করবে না। বরং গোটা বিশ্ব একজোট হয়ে জঙ্গিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলুক, এটাই সময়ের দাবি।”

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়া সফরের পর প্রতিনিধি দলের মালয়েশিয়া (Malaysia), ইন্দোনেশিয়া (Indonesia) ও সিঙ্গাপুর (Singapore) সফর করার কথা রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও সন্ত্রাসবিরোধী বার্তা প্রচারের কর্মসূচি থাকছে তাঁদের।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement