অযোধ্যায় পাক সেনা গাঁথবে বাবরি মসজিদের প্রথম ইঁট— বিস্ফোরক দাবি পাক সেনেটরের
Connect with us

খুন

অযোধ্যায় পাক সেনা গাঁথবে বাবরি মসজিদের প্রথম ইঁট— বিস্ফোরক দাবি পাক সেনেটরের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্তানের রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে ফের উঠে এল চরম উসকানিমূলক বক্তব্য। অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য করে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে পাক সেনেটর পালওয়াশা মোহাম্মদ জাই খান। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে যদি বাবরি মসজিদ পুনর্নির্মাণ হয়, তাহলে সেই নির্মাণের সূচনা করবেন পাকিস্তানি সেনারাই। সেনাপ্রধান আসিম মুনির দেবেন প্রথম আজান— এমন দাবিও করেন তিনি।

এই মন্তব্য পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সেনেটে ভাষণ দেওয়ার সময় করেন পালওয়াশা। ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর কথায়, “আমরা যুদ্ধের ভয় পাই না। অযোধ্যার ভূমিতে আমাদের সেনারা ইঁট রাখবে, আর প্রথম আজান দেবেন আমাদের জেনারেল মুনির। পাকিস্তান শান্তির পথ বেছে নেয়নি, প্রতিরোধের পথেই চলবে।”

এছাড়াও পালওয়াশা মহম্মদ জাই খান বলেন যে, পাকিস্তানে শুধু ৬-৭ লাখ সৈনিক নেই প্রয়োজনে পাকিস্তানের ২৫ কোটি জনতা সৈনিকের সাথে যুদ্ধে নামতে রাজি। তিনি আরও বলেন যে, মোদী ও নেতানিয়াহু এর মধ্যে গাটজোর রয়েছে। পালওয়াশা মোদীকে ড্রাকুলা মোদী বলে সম্বোধন করেছেন।

Advertisement
ads

আরও পড়ুনঃ ভারত থেকে পাকিস্তানিদের বিদায় পর্বের সময়সীমা বাড়ল, শিথিল করা হল নির্দেশিকা

এই বক্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক স্তরে। বিশেষত, পহেলগাঁও জঙ্গি হানার পর যখন ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক বিপজ্জনক উত্তেজনার মধ্যে দাঁড়িয়ে, তখন পাক সেনেটরের এহেন উস্কানি ফের নতুন করে সংঘাতের বাতাবরণ তৈরি করল।

শুধু অযোধ্যার প্রসঙ্গই নয়, ভারতীয় সেনা নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন পালওয়াশা। তাঁর দাবি, “যদি যুদ্ধ শুরু হয়, ভারতের শিখ সেনারা পাকিস্তানকে আঘাত করবে না। কারণ এই ভূখণ্ড তাঁদের গুরুদের পবিত্র স্থান।” বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য কেবল অবাস্তব নয়, বরং সাম্প্রদায়িক বিভাজন উসকে দেওয়ার মতো বিপজ্জনক।

উল্লেখ্য, এর আগেও ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে বক্তব্য রেখেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো। তাঁর মন্তব্য ছিল, “সিন্ধু নদ আমাদের। জল না এলে, রক্ত বইবে।”

Advertisement
ads

গত কয়েকদিন ধরে সীমান্তে পাকিস্তানি সেনার অবিরাম গুলিবর্ষণ, আর তারই মাঝে নেতাদের এমন আগ্রাসী মন্তব্য— কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের নেতৃত্ব ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধপরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে কি?