দাবদাহের মাঝে আশার বৃষ্টি, চৈত্রশেষে রাজ্যে ঢুকছে নিম্নচাপ
Connect with us

আবহাওয়া

দাবদাহের মাঝে আশার বৃষ্টি, চৈত্রশেষে রাজ্যে ঢুকছে নিম্নচাপ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ চৈত্রের প্রখর দাবদাহে রীতিমতো হাঁসফাঁস করছে একাধিক জেলা। বৈশাখের আগেই উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। সূর্যের প্রখর তাপে পুড়ছে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল, একটুখানি স্বস্তির আশায় অপেক্ষা করছে সাধারণ মানুষ। প্রশ্ন একটাই—কবে আসবে স্বস্তির বৃষ্টি? বাঁচাবে কি আগামি কালবৈশাখী?

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে মিলছে আশার আলো। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে, যার সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়া। বিশেষত রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ—দুই প্রান্তেই রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমপ্রান্তের কয়েকটি জেলায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে পুরুলিয়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং মুর্শিদাবাদ জেলায়। এই জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বর্ষণ হতে পারে বলে পূর্বাভাস। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গেও বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপ ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত এবং অক্ষরেখাই এই বৃষ্টির মূল কারণ। এই অক্ষরেখা বর্তমানে মধ্যপ্রদেশ থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত। এর জেরেই রাজ্যে ঢুকছে আর্দ্র বায়ু, যা আগামী কয়েকদিন ধরে বজায় থাকবে।

Advertisement
ads

দেশের অন্যান্য অংশেও আবহাওয়ার রকমফের দেখা যাচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের নৈনিতাল সংলগ্ন অঞ্চলে ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বেশ কিছু অংশেও বৃষ্টিতে মিলেছে স্বস্তি। তবে এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশে জারি হয়েছে তাপপ্রবাহের কমলা সতর্কতা
সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ অঞ্চলেও রয়েছে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও দিল্লিতে, যদিও দিল্লিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আইএমডি।

শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে উত্তর দিনাজপুর, মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। শনিবারেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে।
১০ ও ১১ এপ্রিল হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম, অসম ও মেঘালয়ের বিচ্ছিন্ন জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চৈত্রের রোদ আর তাপপ্রবাহের ভেতর দিয়ে হাঁসফাঁস করা জনজীবনের মধ্যে এই বৃষ্টি কার্যত হতে চলেছে স্বস্তির পরশ। তবে তার সঙ্গে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও মাথায় রেখে সকলকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর।