কলকাতা
আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের গণধর্ষণ হয়নি, দাবি CBI-এর
নিউজ ডেস্ক: ফের নয়া দিকে মোড় নিচ্ছে আরজি করে নৃশংস হত্যা মামলার ঘটনা। আরজি কর কাণ্ডের নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এর আগে বহুবার নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছিল যে, শুধুমাত্র সঞ্জয় রাই-ই একমাত্র দোষী নয়। এর পেছনে অনেকের হাত রয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের কি হবে?
গতকাল শুক্রবার তারই প্রমান আদালতে জমা দিল সিবিআই। আরজি করে ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে শিয়ালদহ আদালতে তিন পাতার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারীদের একাংশের সূত্রে খবর, তাদের নজরে রয়েছে মোট তিন জনের মোবাইলের ‘কল ডিটেলস’ এবং আরও বেশ কয়েক জনের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। সেসব রিপোর্টে জানানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, সিবিআই সূত্রে।
সিবিআই দাবি করে, আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের ‘গণধর্ষণ’ হয়নি, কলকাতা হাইকোর্টে ঠিক এমনটাই জানালো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই-এর দাবি, গণধর্ষণ নয় এটি ধর্ষণ ও খুনের মামলা। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই বলল সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টের সায়ের পর কলকাতা হাইকোর্টে ফের আরজি কর মামলার শুনানি হচ্ছে।
আরও পড়ুন – নিকাশি নালা থেকে উদ্ধার মানব ভ্রূণ, শিউরে ওঠা দৃশ্য বাঁকুড়ায়
এর আগে প্রথম দিনের শুনানিতে বিচারপতি সিবিআই-কে বিশেষ নির্দেশ দেন যে,
গণধর্ষণের নাকি তথ্যপ্রমাণ লোপাটের- কোন তদন্ত করছে সিবিআই তা স্পষ্ট করতে হবে আগে। ঘটনার তদন্ত কতদূর এগিয়েছে, তার স্ট্যাটাস রিপোর্ট ও কেস ডায়েরিও জমা দিতে বলা হয় সিবিআইকে। গতকাল ২৮শে মার্চ আরজি করে মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই সিবিআই স্পষ্ট জানিয়েছে, এটি ধর্ষণ, গণধর্ষণ নয়।
প্রসঙ্গত, গত ৯ই অগাস্ট ঘটেছিল এই নৃশংস হত্যা কান্ড। প্রথমে এই ধর্ষণ-খুন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল কলকাতা পুলিশ। পরে তা সিবিআই-এর হাতে চলে যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আগে ঠিক কতদূর এগিয়েছিল? সেই বিষয়েই এদিন জানতে চেয়েছে আদালত। আগামী শুনানির দিন তার একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে সিবিআই-কে।
আরও পড়ুন – বেলেঘাটায় রক্তাক্ত দেহ! খুন নাকি প্রতিশোধ? রহস্য ঘনাচ্ছে যুবকের মৃত্যু
