রাজ্যের খবর
এবারেও উন্মুক্ত বসন্তোৎসব বন্ধ বিশ্বভারতীতে! বদলে ফেলা হল তারিখ
১১ই মার্চ বসন্তোৎসব পালন বিশ্বভারতীতে
নিয়ম মেনে এবারে বসন্তোৎসব পালন করার তারিখ ১৪ই মার্চ। দীর্ঘ বৈঠকের পর শুক্রবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ১৪ই মার্চ নয়, পরিবর্তে ১১ই মার্চ, গৌড় প্রাঙ্গনে পালিত হবে বসন্তোৎসব। পালন করা হবে বিশ্বভারতীর বসন্তোৎসব। উৎসবে বাইরের লোকেদের অর্থাৎ বহিরাগতদের প্রবেশের অনুমতি দেবে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সর্ব সাধারণের জন্য এবারেও খুলছে না শান্তি নিকেতনের দুয়ার। গত বছরের মতো এবারেও শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা ও ছাত্র-ছাত্রীরা মাইল পালন করবেন বসন্তোৎসব।
কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে হতাশ সকলে
কারণ, বসন্তোৎসব মানেই শান্তিনিকেতন। আলাদাই এক অনুভূতি। ভিড় ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গত বছর দোল উৎসব পালন হয়েছিল। সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন হলেও ছিল না আবির ও রং রং খেলার অনুমতি। এবারও আলাদা কোনও সিদ্ধান্ত হল না। শুক্রবারের এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় বাসিন্দারা ও পর্যটকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।
আরও পড়ুন – ট্রেনে ওঠার হুড়োহুড়িতে প্ল্যাটফর্মে হুড়োহুড়ি! কিভাবে ঘটলো দুর্ঘটনা?
ঘরোয়া ভাবে পালন বসন্তোৎসব
১৪ই মার্চের তিন দিন আগেই রঙিন হয়ে উঠবে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতন। বিশ্বভারতীর উপাচার্য, সমস্ত ভবনের অধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, কর্মী ও কর্মী সংঘের সদস্যেরা অংশ নেবেন বসন্তোৎসব অনুষ্ঠানে। বলা চলে এবারেও ঘরোয়া ভাবে পালন করা হবে শান্তিনিকেতনে বসন্তোৎসব।
২০১৯ সালের উৎসব
২০১৯ সালেই শেষবার বসন্তোৎসব পালন করা হয়েছিল বিশ্বভারতীতে। রঙিন উৎসব আরো রঙিন করে তুলতে অংশ নিয়েছিলেন বহু শিল্পী ও কলাকুশলীরা। তারপর ২০২০-২১ সালে করোনা পরিস্থিতি এবং ২০২২-২৩ সালে বিশ্বভারতীর নিজস্ব কিছু কারণে বসন্ত উৎসব পালন হয়নি। এনিয়ে ছ বছর হয়ে গেলো শান্তিনিকেতনে সাধারণের জন্য অর্থাৎ উন্মুক্তভাবে বসন্তোৎসব পালন।
