বিদায়ী ভাষণে ইউনূসের ভারত-বিরোধী সুর, হিন্দু নিধন ও সাম্প্রদায়িক হিংসায় রহস্যজনক নীরবতা
Connect with us

বাংলাদেশ

বিদায়ী ভাষণে ইউনূসের ভারত-বিরোধী সুর, হিন্দু নিধন ও সাম্প্রদায়িক হিংসায় রহস্যজনক নীরবতা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ১৮ মাসের শাসনকাল শেষে বিদায়ী ভাষণে আত্মসমালোচনার বদলে ভারত-বিরোধী সুর চড়ালেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের (interim government) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অভিযোগ উঠেছে, নিজের প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা ঢাকতেই তিনি প্রতিবেশী দেশ ভারতকে ইঙ্গিত করে জাতীয়তাবাদী উসকানি দিয়েছেন। শেখ হাসিনার পতনের পর যে গণতান্ত্রিক সুস্থিতিশীলতার (stability) প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় এবং সংখ্যালঘুদের ওপর ধারাবাহিক হামলা রুখতে না পারায় আন্তর্জাতিক স্তরেও তিনি সমালোচিত।

ইউনূসের ভাষণে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বা ‘সেভেন সিস্টার্স’ (Seven Sisters)-কে নেপাল ও ভুটানের মতো স্বাধীন দেশের সঙ্গে একসারিতে বসিয়ে আঞ্চলিক ভূখণ্ড হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যা ভারতের অখণ্ডতার (integrity) পরিপন্থী। পাশাপাশি তিস্তা প্রকল্প ও শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিনের (China) উপস্থিতি এবং সামরিক আধুনিকীকরণের (modernization) ঘোষণায় ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, গত ১৮ মাসে বাংলাদেশে হিন্দু নিধন ও মন্দির ভাঙচুরের মতো ভয়াবহ হিংসা নিয়ে তিনি নীরব ছিলেন। প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং মৌলবাদী (extremist) শক্তির বাড়বাড়ন্তের কথা এড়িয়ে নিজেকে ‘আত্মমর্যাদা পুনরুদ্ধারের নায়ক’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, ইউনূসের এই বিপজ্জনক উত্তরাধিকার (legacy) দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক অস্থির পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement