‘সেনা পালায়নি, পালিয়েছেন আপনি’ — ধর্মতলায় মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘সেনা পালায়নি, পালিয়েছেন আপনি’ — ধর্মতলায় মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘সেনা আপনাকে দেখে পালায়নি, বরং আপনি সেনাকে দেখে মেয়ো রোড (Mayo Road) ছেড়ে পালিয়ে ডোরিনা ক্রসিং (Dorina Crossing) গেছেন।’ এই ভাষাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) একহাত নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

ধর্মতলায় (Esplanade) প্রাক্তন সেনাকর্মীদের (Ex-Army Officers) ধর্না মঞ্চে যোগ দিয়ে তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য সেনাবাহিনীকে (Indian Army) অসম্মান করার সামিল। তাঁর দাবি, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার প্রমাণ করেছেন, তিনি দেশবিরোধী (Anti-national) এবং সেনাবিরোধী মনোভাবের (Anti-Army Attitude) ধারক।”

সম্প্রতি গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রতিবাদ মঞ্চ স্থাপন নিয়ে সেনার ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, সেনা বিজেপির (BJP) নির্দেশে কাজ করছে। তিনি আরও দাবি করেন, তিনি যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছন, তখন সেনা সদস্যরা এলাকা ছেড়ে চলে যান।

এই বক্তব্যের বিরোধিতায় আদালতের অনুমতি নিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতায় ধর্নায় বসেন প্রাক্তন সেনাকর্মীরা। পুলিশ প্রথমে অনুমতি না দিলেও কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয়। তবে শর্ত ছিল— কোনও রাজনৈতিক দলের (Political Party) নেতা মঞ্চে থাকতে পারবেন না।

Advertisement
ads

তবু ধর্না মঞ্চে উপস্থিত শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এখানে কোনও দলের প্রতিনিধি হিসেবে আসিনি, এসেছি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Leader of the Opposition) হিসেবে। তাই আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘনের প্রশ্নই ওঠে না।’

শুভেন্দু আরও বলেন, “ভারতীয় সেনা কাউকে ভয় পায় না। পাকিস্তান ও চিনই সেনাকে ভয় পায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতাকে দেখে পালিয়ে যাবে, এটা হাস্যকর।” পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন আচরণ করেন যেন বাংলাই আলাদা দেশ, আর তিনি তার প্রধানমন্ত্রী।”

এই পরিস্থিতিতে বিধানসভায়ও বিতর্কের আগুন ছড়ায়। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু পাকিস্তান সেনার সঙ্গে তুলনা টেনে মন্তব্য করলে বিজেপি বিধায়করা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বিধানসভার অধ্যক্ষ শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করেন।

Advertisement
ads

প্রথমে এই অবস্থান-বিক্ষোভের জন্য পুলিশি অনুমতি না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন প্রাক্তন সেনা আধিকারিকরা। পুলিশ জানিয়েছিল, বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কাজ চলায় অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। পরে আদালতের নির্দেশে ধর্নার অনুমতি মেলে।

Continue Reading
Advertisement