বচ্চন পরিবারের বউমার সুরক্ষায় দিল্লি হাই কোর্ট, নাম-ছবি ব্যবহারে স্থগিতাদেশ
Connect with us

বিনোদন

বচ্চন পরিবারের বউমার সুরক্ষায় দিল্লি হাই কোর্ট, নাম-ছবি ব্যবহারে স্থগিতাদেশ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ও ডিপফেক (Deepfake) প্রযুক্তির অপব্যবহারে সমস্যায় পড়ছেন গ্ল্যামার দুনিয়ার (Glamour World) বহু তারকা। অভিনেত্রী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan) সেই তালিকারই অন্যতম। সম্প্রতি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দিল্লি হাই কোর্টের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।

এদিন আদালতের তরফে ঐশ্বর্যের পক্ষেই বড় জয় ঘোষিত হয়েছে। রায় অনুযায়ী, ভবিষ্যতে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা তার অনুমতি ছাড়া ঐশ্বর্য রাইয়ের নাম, ছবি বা সংক্ষিপ্ত রূপ ‘এআরবি’ (ARB) ব্যবহার করতে পারবে না।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি তেজস পি. কারিয়া (Justice Tejas P. Karia) জানান, ডিপফেক, মুখ বিকৃত করা (Face Morphing) বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বিকৃত ছবি শুধু একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত সম্মানই ক্ষুণ্ন করছে না, বরং তা তাঁর সাংবিধানিক অধিকার— সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার (Right to Live with Dignity)—বিরুদ্ধেও।

আদালতে ঐশ্বর্য রাই অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তাঁর নামে তৈরি ‘এআই ইমেজ’ (AI-generated images) ও অন্তরঙ্গ দৃশ্য নেটমাধ্যমে (Internet) ছড়ানো হচ্ছে, এমনকি তাঁর ছবি ছাপিয়ে তৈরি হচ্ছে টি-শার্ট, কফি মগের মতো পণ্যও। এই বিষয়টিকেই ‘ভাবমূর্তি নষ্ট’ (Reputation Damage) ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন (Misleading Advertisement) হিসেবে তুলে ধরা হয় আদালতে।

Advertisement
ads

এআই বা প্রযুক্তির নামে এমন অপব্যবহারে বচ্চন পরিবারের সম্মান ও আর্থিক ক্ষতি দুই-ই হয়েছে বলে আদালতে উল্লেখ করা হয়। বিচারপতি জানান, এই রায় শুধু ঐশ্বর্যর ক্ষেত্রেই নয়, সমস্ত ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

দিল্লি হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কোনও সংস্থা ঐশ্বর্য রাইয়ের নাম বা ছবি ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন, প্রচার বা পণ্য বিক্রির কাজ করতে পারবে না। এটি সব মাধ্যমের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপফেকস ও মুখ বিকৃত করার প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

Advertisement
ads