জেলার খবর
তপ্ত মুর্শিদাবাদ! রাতভর রুটমার্চ পুলিশের, শান্তি বৈঠকের উদ্যোগ প্রশাসনের
নিউজ ডেস্ক: নয়া ওয়াকফ বিল নিয়ে উত্তাল পরিস্থিতির জেরে এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজমান মুর্শিদাবাদের একাধিক এলাকায়। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে শনিবার রাত থেকে জেলায় মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সুতি-সামশেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত ৯টি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলছে কড়া পুলিসি টহলদারি। সঙ্গে রয়েছে রাজ্য পুলিশের রুটমার্চও।
রবিবারও থমথমে পরিস্থিতি মুর্শিদাবাদে। আজ শান্তি আলোচনার আগে নতুন অশান্তি যেন না ঘনায় তার জন্য সতর্ক প্রশাসন। সংশোধিত ওয়াকফ আইন ঘিরে অশান্ত মুর্শিদাবাদে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী। চলছে পুলিশের রুটমার্চ ও তল্লাশি। আজ রবিবার শান্তি বৈঠকের উদ্যোগ প্রশাসনের।
গতকাল শনিবার রাত ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই তৎপরতা সারা রাত ধরে চালিয়েছে পুলিশকর্মীরা। এলাকার কিছু গ্রামে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। পথে পথে ঘুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীও পরিস্থিতি খতিয়ে শিখেছে সারারাত। সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাতভর রুটমার্চ অভিযানে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার বিভিন্ন অংশ থেকে যারা এই হামলার ঘটনায় বা হিংসায় জড়িত তাদের সন্দেহে অন্তত ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে জেলার মোট গ্রেফতারির সংখ্যা ১৩৮ ছাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন – থমথমে মুর্শিদাবাদ! বার বার অশান্ত হয়ে উঠছে সুতি-সামশেরগঞ্জ-ধুলিয়ান
শনিবারের পর রবিবার সকালেও থেমে থাকেনি পুলিশের সতর্কতা। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে রুটমার্চ করছে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে। মুর্শিদাবাদের সুতি থানায় আজ আয়োজিত হতে পারে শান্তি বৈঠক। রবিবার প্রশাসনের অনুরোধে রবিবার সকালে ‘ওয়াকফ বিরোধী একতা মঞ্চের দুটি প্রতিবাদ কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে । প্রশাসন চাইছে, সংঘাত না বাড়িয়ে সমস্ত সংগঠনের নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনায় বসে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা হোক।
একইসঙ্গে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে দুই জেলার প্রবেশপথে। নদিয়ার সীমান্ত ও মালদহ থেকে গঙ্গা পথ ধরে আসা অঞ্চলগুলিতে বিশেষত নজরদারি চলছে। মেটাল ডিটেক্টর বসিয়ে চলছে জেরা, কড়া নজর রাখা হচ্ছে বহিরাগতদের গতিবিধির উপর। এদিকে গঙ্গা পথেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন – ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে ভিটে মাটি হারা ধুলিয়ানের হিন্দুরা
