জেলার খবর
মুর্শিদাবাদ কান্ড নিয়ে মমতা ও রাজীবকে তীব্র আক্রমণ দিলীপের
নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদ। আন্দোলন-বিক্ষোভে ছড়িয়েছে হিংসা। এবার এই মুর্শিদাবাদ কান্ড নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ বললেন,রাজনীতির স্বার্থে বাংলার হিন্দুদের শেষ করতে চান মমতা মমতা বন্দোপাধ্যায়।
বিজেপি নেতার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের রাজনীতির স্বার্থে বাংলার হিন্দু সমাজকে শেষ করে দিতে চাইছেন। আরও দাবি, মমতা বন্দোপাধ্যায় যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন ততদিন পশ্চিমবঙ্গে আগুন জ্বলবে। মুখ্যমন্ত্রীএ পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে ‘অকর্মণ্য’ বলে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ।
গত ২দিন ধরে ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদ ঘিরে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় হিংসা ছড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত হামলার ঘটনার মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। তাদের মধ্যে ২ জন হিন্দু পরিবারের। শুক্রবার গুলিবিদ্ধ এক যুবকের হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ, গতকাল বাড়িতে ঢুকে তাদের কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য মুর্শিদাবাদের সুতি, সামশেরগঞ্জ-সহ একাধিক জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
মুর্শিদাবাদের যাবতীয় হিংসা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর দায় চাপিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ বলেন, রাম নবমীতে বিরক্ত করার জন্য রাজ্য সরকার, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার অনেক জায়গায় মৌলবাদীদের ও সমাজ বিরোধীদের নামিয়ে দিয়েছিল।
আরও পড়ুন – তপ্ত মুর্শিদাবাদ! রাতভর রুটমার্চ পুলিশের, শান্তি বৈঠকের উদ্যোগ প্রশাসনের
মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বিজেপি নেতা বলেন, পাপের বোঝা বাড়ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এটাই ওনাকে বিদেয় করবে। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার গল্প শোনাচ্ছিলেন গতকালকে। লজ্জা করে না!
তবে যেহেতু অনেক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলে যাওয়া থেকে বাঁচিয়েছেন তাই তো উনি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তাঁবেদারি করবেনই। এসব মিথ্যাচারের একটা সীমা থাকা উচিত। এখানে প্রতিযোগিতা চলছে মিথ্যা বলার।
বাড়িতে ঢুকে বাবা ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা কড়া হল। রাস্তায় নেমে উগ্রপন্থীরা গুলি চালাচ্ছে, বিএসএফ-র গাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।
পুলিশ তো অনেক আগেই হাওয়া হয়ে গিয়েছে। দিলীপ ঘোষ ডিজি রাজ্য কুমারকে অকর্মণ্য বলে বলেছেন তার কোনও ক্ষমতা নেই। পুলিশকে খুঁজে পাওয়া যায় না। বাংলার পরিস্থিতি খুব ভয়ঙ্কর, নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে তত এটা বাড়বে । জঙ্গিদের ভোট পেয়ে নির্বাচনে জিততে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন – ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে ভিটে মাটি হারা ধুলিয়ানের হিন্দুরা
