মালদা
সংবাদমাধ্যমে খবরের জেরে দুরারোগ্য ব্যাধিগ্রস্ত কিশোরীর সাহায্যে এগিয়ে এলো মহকুমা প্রশাসন
হরিশ্চন্দ্রপুর, ৭ জুন : সংবাদ মাধ্যমে খবরের জেরে দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তকিশোরীর পাশে এসে দাঁড়ালো মহকুমাশাসক। গত একবছর ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত হরিশ্চন্দ্রপুর-২ নং ব্লকের সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ছত্রক গ্রামের হতদরিদ্র দিনমজুর নুর সালামের মেয়ে নুর ফাতেমা।
ধার দেনা করে একবছর ধরে চিকিৎসা চালানো হলেও বর্তমানে লকডাউনে টাকার অভাবে থেমে গেছে চিকিৎসা। চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুশয্যায় রয়েছে নুর ফাতেমা। এই খবরটি সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত হওয়ার পরেই সোমবার হঠাৎই হাওয়াই নিজের দপ্তর থেকে নূর সালামের বাড়িতে গিয়ে হাজির হন চাঁচলের মহকুমা শাসক সঞ্জয় পাল।তার সঙ্গে ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নং ব্লকের বিডিও পার্থ দাস, চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার জয়ন্ত বিশ্বাস। কথা বলেন পরিবারের লোকেদের সঙ্গে।অসুস্থ মেয়েটির সঙ্গে দেখা করেন। অসুস্থ কিশোরীটির জন্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। সবরকমভাবে ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।চাঁচলের মহকুমা শাসক সঞ্জয় পাল বলেন, হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নং ব্লকের ছত্রক গ্রামের অসুস্থ এই বাচ্চাটির কথা জানতে পেরে এদিন দেখা করতে আসেন। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার এবং বিডিও সাহেবও ছিলেন।অসহায় পরিবারটিকে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে । তাদের মালদা যাওয়ারও ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে চাঁচল মহাকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার জয়ন্ত বিশ্বাস অসুস্থ মেয়েটির শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। তিনি বলেন, বাচ্চাটির নিউরোলজিক্যাল প্রবলেম রয়েছে। আরেকবার সিটিস্ক্যান এবং ইসিজি করতে হবে। সঠিক ভাবে পরীক্ষা করে পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে তার।এবিষয়ে ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে প্রশাসনিক কর্তাদের পাশে পেয়ে মেয়ের চিকিৎসার ব্যাপারে আশ্বস্ত হয়েছে পরিবারের লোকজন।
নুর ফাতেমার বাবা নূর সালাম জানান, এদিন বিডিও, এসডিও এবং সুপার এসেছিলেন।স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
