ভাইরাল খবর
ধর্ষণ মামলার মধ্যেই এবার সিট বিক্রি! মনোজিৎ মিশ্রর বিরুদ্ধে নতুন বিস্ফোরক অভিযোগ
ডিজিটাল ডেস্কঃ কসবা সরকারি ল কলেজে (Kasba Law College) ধর্ষণকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র (Manojit Mishra) ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এবার sit বিক্রির বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কলেজে নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা ছাড়িয়ে ‘অতিরিক্ত সিট’ তৈরি করে গোপনে বেচা হত, যার দাম মাথাপিছু ৫০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। একাধিক ছাত্রছাত্রী জানিয়েছেন, একবারেই ৭০‑৭৫ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছিল বলে তাঁদের জানা।
প্রয়াত প্রিন্সিপাল দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়ের (Debashis Chattopadhyay) স্ত্রী নবনীতা চক্রবর্তী (Nabaneeta Chakraborty) সংবাদমাধ্যমে বলেন, “মনোজিৎ নামের ওই ছেলেটা সিট বিক্রি করে অনেক টাকা তুলেছিল। স্বামী দেবাশিস ওকে কলেজে ঢুকতে নিষেধ করেছিলেন।” তদন্তে উঠে এসেছে আরেক ঘনিষ্ঠ, জইব আহমেদ (Jaib Ahmed)-এর নাম। অভিযোগ, তাঁর কমন এন্ট্রান্স টেস্টে র্যাঙ্ক ছিল ২৬৩৪, যেখানে সাধারণ বিভাগে ভর্তি সীমা সাধারণত ৫০০‑৫৫০ র্যাঙ্কের ভিতরে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন চারটি সরকারি ল কলেজে সেই র্যাঙ্কে ভর্তির সুযোগ না থাকলেও কীভাবে জইব আসন পেল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
আরও পড়ুনঃ তামিলনাড়ুর জনমনে নয়া ঢেউ, রাজনীতিতে দৃঢ় পা রাখলেন থালাপথি বিজয়
শুধু কলেজ প্রশাসন নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অংশকে পাশে না পেলে এত বড় মাপের বাড়তি ভর্তি কার্যত অসম্ভব—এমন ইঙ্গিতও মিলেছে তদন্তে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখতে আরও কয়েকজন অফিসার ও কলেজ‑কর্মীর ভূমিকা নথিবদ্ধ করা হচ্ছে।
ঘন ঘন নতুন তথ্য সামনে আসায় কসবা ল কলেজ এখন তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে। বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, এমনকি অধ্যাপক মহলও চাইছেন, দ্রুত সত্য সামনে আসুক। তবে ভর্তি দুর্নীতি প্রসঙ্গে কলেজের বর্তমান পরিচালন সমিতি এখনও মুখ খোলেনি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হবে।
