চাষের জমিতে লুকিয়ে রাখা ছিল RDX-গ্রেনেড, ড্রোনে অস্ত্র ফেলার অভিযোগ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে
Connect with us

হামলা

চাষের জমিতে লুকিয়ে রাখা ছিল RDX-গ্রেনেড, ড্রোনে অস্ত্র ফেলার অভিযোগ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির (India-Pakistan Ceasefire) কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অমৃতসর সীমান্তে (Amritsar Border) মিলল ভয়াবহ নাশকতার চিহ্ন। শনিবার রাতে চকবালা গ্রামে (Chakbala Village) অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরক ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করল পাঞ্জাব পুলিশ ও বিএসএফ (BSF)। পুলিশের অনুমান, সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের সময় পাকিস্তানের ড্রোনের মাধ্যমেই ওই অস্ত্র ও বিস্ফোরক ভারতীয় ভূখণ্ডে পাঠানো হয়েছিল।

পাঞ্জাব পুলিশের ডিজিপি (DGP Punjab Police) এক্স হ্যান্ডেলে (X Handle) পোস্ট করে জানান, অমৃতসর গ্রামীণ পুলিশ (Amritsar Rural Police) এবং বিএসএফ যৌথভাবে এই চোরাচালান রুখে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আজনালা থানা (Ajnala Police Station) এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। একটি চাষের জমি থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি হ্যান্ড গ্রেনেড (Hand Grenade), ৯৭২ গ্রাম আরডিএক্স (RDX), আটটি ব্যাটারি, একাধিক কার্তুজ (Cartridges)। ঘটনায় ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এই ঘটনার জেরে গোটা অমৃতসর সহ পঞ্জাবের (Punjab) বিস্তীর্ণ এলাকায় রেড অ্যালার্ট (Red Alert) জারি রয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলগুলিতে সাইরেন বাজিয়ে মানুষকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বহু এলাকায় রাতভর বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ রাখা হয় নিরাপত্তার কারণে। অমৃতসরের জেলাশাসক (District Magistrate) জানিয়েছেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সতর্কতা জারি থাকবে। নাগরিকদের ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ যুদ্ধবিরতির পরই সীমান্তে আগুন, ফের গোলাগুলি-পাক ড্রোন, শহিদ BSF জওয়ান

প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেল ৫টায় সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করেছিল ভারত সরকার (Government of India)। বলা হয়েছিল, পাকিস্তানের তরফ থেকেই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব এসেছিল এবং ভারত তা মেনে নিয়েছে। কিন্তু ঘোষণার সাড়ে তিন ঘণ্টা পরই সেই চুক্তি ভেঙে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) অন্তত ১১টি সীমান্তবর্তী এলাকায় গুলি চালায় পাকিস্তান সেনা। একইসঙ্গে চালানো হয় ড্রোন হামলারও চেষ্টা।

Advertisement
ads

এই পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার রাতে ভারতীয় সেনা সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ায়। একাধিক ড্রোন ওয়ার ফেয়ার ইউনিট (Drone Warfare Unit) মোতায়েন করা হয়, যাতে কোনও ড্রোন দেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে না পারে। রাতভর আকাশসীমায় চলে নজরদারি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের বাতাবরণ এখনও কাটেনি।

রবিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ পরিষেবা ফের চালু হলেও রেড অ্যালার্ট বহাল রয়েছে। প্রশাসনের কড়া নির্দেশ— “আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন, প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোবেন না।”

Continue Reading
Advertisement