যুদ্ধবিরতির পরই সীমান্তে আগুন, ফের গোলাগুলি-পাক ড্রোন, শহিদ BSF জওয়ান
Connect with us

হামলা

যুদ্ধবিরতির পরই সীমান্তে আগুন, ফের গোলাগুলি-পাক ড্রোন, শহিদ BSF জওয়ান

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে (India-Pakistan Border) শান্তির ইঙ্গিত দিয়ে শনিবার বিকেল ৫টায় সংঘর্ষবিরতির (Ceasefire Agreement) ঘোষণা হলেও, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা ভেঙে দেয় ইসলামাবাদ। যুদ্ধবিরতির সাড়ে তিন ঘণ্টা পরই জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) অন্তত ১১টি সীমান্তবর্তী এলাকায় শুরু হয় গোলাগুলি ও ড্রোন হামলার চেষ্টা।

এই হামলায় শহিদ হন বিএসএফ (BSF)-এর সাব-ইন্সপেক্টর মহম্মদ ইমতিয়াজ (Mohammad Imtiyaz)। আহত হয়েছেন আরও সাতজন জওয়ান। শনিবার রাত সাড়ে ৭টা নাগাদ প্রথম গুলির শব্দ শোনা যায়। এরপর ধাপে ধাপে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে জম্মু (Jammu), শ্রীনগর (Srinagar), বারামুলা (Baramulla), বদগাম (Budgam)-সহ একাধিক এলাকায়। বাজানো হয় সাইরেন, ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হয় রাজস্থানের (Rajasthan) কয়েকটি সীমান্তবর্তী এলাকাও।

প্রথমে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ঘিরে স্বস্তি পেলেও, রাত নামতেই আতঙ্কে কাটাতে শুরু করেন সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির সাধারণ মানুষ। যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

আরও পড়ুনঃ ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার মাঝে ভুয়ো সংবাদের বন্যা!

Advertisement
ads

তবে সেনা সূত্রে জানা গেছে, রাত গভীর হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত (International Border) এবং নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) মোটামুটি শান্তই ছিল। ১০ ও ১১ মে-র মধ্যবর্তী রাতে আর কোনও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রোববার সকাল ১১টা নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক (Press Briefing) ডেকেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী (Indian Army)। সেখানে শনিবার রাতভর সংঘর্ষ এবং পাকিস্তানের আচরণ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলেই প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর।

এদিকে, সংঘর্ষবিরতির মধ্যেও দক্ষিণ কাশ্মীরের (South Kashmir) কুলগাম (Kulgam) জেলায় অভিযান চালিয়েছে স্টেট ইনটেলিজেন্স এজেন্সি (SIA)। একাধিক সন্দেহভাজনের খোঁজে জোর তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র।

এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনীর জবাবদিহি এবং সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সম্ভাবনাই সামনে আসছে।

Advertisement
ads