উন্মত্ত ভিড় থামাতে চার রাউন্ড গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছিল পুলিশ, জানালেন এডিজি
Connect with us

দুর্ঘটনা

উন্মত্ত ভিড় থামাতে চার রাউন্ড গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছিল পুলিশ, জানালেন এডিজি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ওয়াকফ আইন নিয়ে রাজ্যজুড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে, মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান, সুতি ও সামশেরগঞ্জে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম। শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, “মানুষের প্রাণ বাঁচাতেই বাধ্য হয়ে চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়।”

সুতির সুজার মোড় এবং সামশেরগঞ্জের ডাকবাংলো মোড়— এই দুই এলাকায় বিক্ষোভ চরম আকার নেয়। উন্মত্ত জনতার রাস্তা অবরোধ, পুলিশের উপর ইট-পাটকেল, সরকারি বাস ও সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ, একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। জাভেদ শামিম জানান, পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু, বিক্ষোভকারীরা আরও হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। তাঁর কথায়, “টানা তিন ঘণ্টা এই হিংসা চলার পর পুলিশের পক্ষে আর উপায় ছিল না। প্রাণ রক্ষা করতে বাধ্য হয়েই গুলি চালাতে হয়।” পুলিশ চার রাউন্ড গুলি চালায়, যাতে দু’জন আহত হন বলে জানানো হয়েছে। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁরা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ উত্তর দিনাজপুরে বদলি আরজি কর-কাণ্ডের অভিযোগকারী, আখতারের বদলি ঘিরে প্রশ্ন

এদিকে, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, “ভয়াবহভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা চলছে।” একই সুরে জাভেদ শামিম বলেন, “দুষ্কৃতীরা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।” এই পরিস্থিতিতে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মকে অপব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইছে। মানুষ যেন তাদের প্ররোচনায় না পড়ে।”

Advertisement
ads

প্রসঙ্গত, ওয়াকফ সংশোধনী আইন ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তির ছবি সামনে এসেছে। শুধু মুর্শিদাবাদই নয়, আরও কিছু জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে উত্তেজনা। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কড়া নজরদারি ও বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Continue Reading
Advertisement