ভাইরাল খবর
বড়ঞ্চা বিধায়কের গ্রেপ্তারির পর নজরে পিসি মায়া, ইডির জিজ্ঞাসাবাদে মুখোমুখি
ডিজিটাল ডেস্কঃ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jibankrishna Saha)–র পরিবার ঘিরে নয়া বিতর্ক। জীবনকৃষ্ণ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাঁর পিসি তথা সাঁইথিয়া পুরসভার কাউন্সিলর মায়া সাহা (Maya Saha) ইডির নজরে আসেন। বৃহস্পতিবার কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজিরা দেন তিনি। তবে প্রবেশের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন মায়া।
তিনি দাবি করেন, “আমি কোনও দুর্নীতিতে যুক্ত নই। স্বামীর ৪০ বছরের ব্যবসা রয়েছে। দুর্নীতির টাকার প্রশ্নই ওঠে না।” এও স্পষ্ট জানান যে তাঁর বিপুল সম্পত্তি নেই, কেবলমাত্র অল্প কিছু জমিজমা রয়েছে। একইসঙ্গে জীবনকৃষ্ণের বাবা, যিনি প্রকাশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন, তাঁর অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন মায়া।
উল্লেখ্য, সোমবার বীরভূমের সাঁইথিয়ায় মায়া সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। অভিযোগ ওঠে, জীবনকৃষ্ণের সঙ্গে তিনিও নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত। ওই দিনই জীবনকৃষ্ণের বাবা প্রকাশ্যে বোনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন। তিনি দাবি করেন, বোনের সম্পত্তি বৃদ্ধি ও জমি দখলের সঙ্গে দুর্নীতির যোগ রয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার ইডি দফতরে ঢোকার আগে মায়া সাহা ফের সমস্ত অভিযোগের প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, “আমার দাদা সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা বলছে। আমার নামে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেগুলোর কোনও ভিত্তি নেই।”
ফলে জীবনকৃষ্ণ সাহার পর এবার তাঁর পিসির আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে তদন্তে নেমেছে ইডি। এই মামলায় আগামী দিনে মায়া সাহার ভূমিকা কীভাবে সামনে আসে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলও কৌতূহলী।


