‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে কেন্দ্রের পাশে বিরোধীরা, মমতার অবস্থানকে নাটক বলল বিজেপি
Connect with us

হামলা

‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে কেন্দ্রের পাশে বিরোধীরা, মমতার অবস্থানকে নাটক বলল বিজেপি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পহেলগামের (Pahalgam) জঙ্গি হানার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই জবাব দিয়েছে ভারত। ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চালিয়ে পাকিস্তান (Pakistan) ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করেছে ভারতীয় সেনা। এই অভিযানে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও।

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি কেন্দ্রের পাশে। তবে এই অবস্থানকে রাজনৈতিক চাপের ফল বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

মুখ্যমন্ত্রী সম্প্রতি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সম্মিলিত লড়াই দরকার। এ সময়ে বিভেদের রাজনীতি নয়, বরং দেশের স্বার্থেই ঐক্য প্রয়োজন।” এই মন্তব্যে অনেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেখতে পেলেও, দিলীপ ঘোষের মতে, এটি নিছক লোকদেখানো সমর্থন। তাঁর বক্তব্য, “জনগণের রোষের মুখে পড়ে মুখ রক্ষা করতে এমন কথা বলছেন মমতা। আদতে তাঁদের মনোভাব এখনো পাকিস্তানঘেঁষা। আজ যদি কেউ বলেই না, ‘আমরা কেন্দ্রের পাশে আছি’, তাহলে মানুষ বুঝে যাবে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়।”

আরও পড়ুনঃ পাক মাটিতে ভারতীয় আগুন, পরিবারের পর মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা মাসুদের গলায়

Advertisement
ads

একই সঙ্গে দিলীপ ঘোষ বিরোধী দলগুলির দীর্ঘদিনের অবস্থান নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “কমিউনিস্ট পার্টি (CPM) কোনওদিনই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুখ খোলেনি। কংগ্রেস (Congress) নেতারাও বরং পাকিস্তানের সুরে কথা বলেন। আর তৃণমূল তো কংগ্রেসেরই এক বাইপ্রোডাক্ট। আজ জনমত এতটাই প্রবল যে, এদের ‘মিউ মিউ’ করে কিছু বলতে হচ্ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “পুলওয়ামার (Pulwama) পর প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা। তখনও দেশপ্রেমের বদলে রাজনীতি করেছিলেন তিনি। কিন্তু এখন জানেন, যদি মুখ খুলে বিরোধিতা করেন, তাহলে বাংলার মানুষ ছাড়বে না। তাই তাঁরা ভিন্ন মতাবলম্বী হয়েও মুখে সংহতির কথা বলছেন। কিন্তু এই ভান খুব বেশি দিন টিকবে না।”

অন্যদিকে, কংগ্রেস, সিপিএম ও তৃণমূল কংগ্রেস—তিনটি দলই ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে যৌথ বিবৃতি না দিলেও প্রকাশ্যে সেনার ভূমিকাকে সমর্থন জানিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের এই জবাব যথার্থ এবং প্রয়োজনীয় ছিল। তবে বিজেপি মনে করছে, এই সমর্থন আসলে বাধ্য হয়ে দেওয়া, মনের গভীরে বিরোধীরা এখনও পাকিস্তান-প্রীতিতেই বিশ্বাসী।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement