হামলা
পাক মাটিতে ভারতীয় আগুন, পরিবারের পর মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা মাসুদের গলায়
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) পাকিস্তান ও পিওকে-র (POK) জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়ে কার্যত বিপর্যস্ত করে দিল জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed)। এই সার্জিকাল স্ট্রাইকে নিহত হয়েছে সংগঠনপ্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারের (Masood Azhar) পরিবারের ১০ সদস্য-সহ একাধিক শীর্ষ জঙ্গি। গুরুতর জখম মাসুদের ভাই ও ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত জঙ্গি রউফ আসগর (Rauf Asghar)। নিহত রউফের ছেলেও। এই ঘটনার পর কার্যত ভেঙে পড়েছেন মাসুদ আজহার নিজেই।
জইশ সূত্রের খবর, এই হামলায় মৃত্যু হয়েছে আজহারের বড় বোন, কট্টর মৌলানা কাশফের গোটা পরিবার এবং জইশ নেতা মুফতি আবদুল রউফের নাতি, বাজি সাদিয়ার স্বামী ও তাঁদের চার সন্তান। বুধবার সকালের মধ্যেই নিহতদের কবর দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
জঙ্গি হামলায় হাজার হাজার নিরীহ প্রাণ নেওয়া মাসুদ আজহার এমন পরিণতির পর এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, “আমারও মৃত্যু হলে ভাল হতো”। এই মন্তব্যেই তাঁর ভেতরের হতাশা এবং জঙ্গি সংগঠনের চরম বিপর্যয়ের ইঙ্গিত স্পষ্ট বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আরও পড়ুনঃ সন্ত্রাসবাদের ছায়া বাংলাদেশে, অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে সরব আওয়ামী লিগ
বিশ্বের নজরকাড়া এই অভিযানে শুধু জইশ নয়, ধাক্কা খেয়েছে লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba)-ও। লস্কর ও জইশের একাধিক কমান্ডার, প্রশিক্ষক ও শীর্ষ স্তরের সংগঠক এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছে। সূত্রের দাবি, অন্তত ৭০ জন নিহত এবং ৬০ জনের বেশি গুরুতর আহত হয়েছে।
পহেলগামের (Pahalgam) ভয়াবহ হামলার বদলা নিতে ১৫ দিনের মাথায় এই প্রতিশোধমূলক অভিযান চালায় ভারত। পাকিস্তান ও পিওকে-র মধ্যে থাকা একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ও মাদ্রাসাকে লক্ষ্য করে এই আক্রমণ চালানো হয়। চিহ্নিত জঙ্গি কাঠামো ধ্বংসের মাধ্যমে এক নতুন বার্তা দিল ভারত—নিরীহদের উপর হামলা চালালে রেহাই নেই।
