পাকিস্তান
মুনিরের মুখে ট্রাম্পের প্রশংসা, শান্তির নোবেল দাবি পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের
ডিজিটাল ডেস্কঃ হোয়াইট হাউজে (White House) এক বিশেষ মধ্যাহ্নভোজে মুখোমুখি বসেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির (Asim Munir)। দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই এই বৈঠক ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
বৈঠক শেষে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, আসিম মুনিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ‘সম্মানিত’ বোধ করছেন। তিনি বলেন, “আমি যুদ্ধ থামিয়েছি। আমি পাকিস্তানকে ভালোবাসি। মোদি (Narendra Modi) একজন অসাধারণ মানুষ। গতরাতেও মোদির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমরা খুব শিগগিরই ভারতের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছব।”
সম্প্রতি ভারতের পেহেলগামে (Pahalgam) জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে পরে উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। ট্রাম্প জানান, এই যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে পাকিস্তানের তরফে আসিম মুনিরের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অবদানের জন্য তিনি সেনাপ্রধান মুনিরকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।
আরও পড়ুনঃবৃষ্টির চোখ রাঙানি, লিডসে শুভমনের নেতৃত্বে মাঠে নামছে ভারত
হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র আনা কেলি (Anna Kelly) জানান, আসিম মুনির ট্রাম্পকে শান্তির নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ তাঁর (Trump) উদ্যোগেই ভারত ও পাকিস্তানের সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, “আমি পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ থামিয়েছি। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে ভারতের হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এবং পাকিস্তানের হয়ে আসিম মুনির (Asim Munir) বড় ভূমিকা নিয়েছেন। দুই দেশই পারমাণবিক শক্তিধর, কিন্তু আমি সেই সংঘাত থামাতে পেরেছি।”
আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এই বৈঠক কূটনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সরাসরি শান্তির নোবেল মনোনয়নের আহ্বান অনেকের কাছেই নতুন প্রশ্ন তুলছে। এই আলোচনার প্রেক্ষিতে এখন গোটা বিশ্বের নজর দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
