খামেনেইর প্রয়াণে উন্মত্ত করাচির জনতা! পাকিস্তানে গুলিবৃষ্টির মাঝে প্রাণ হারালেন ৮ জন
Connect with us

পাকিস্তান

খামেনেইর প্রয়াণে উন্মত্ত করাচির জনতা! পাকিস্তানে গুলিবৃষ্টির মাঝে প্রাণ হারালেন ৮ জন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ইরানের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা খামেনেইর (Supreme Leader) মৃত্যুর প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। সেই রোষের আঁচ গিয়ে পড়েছে পাকিস্তানেও। রবিবার দুপুরে করাচির মার্কিন কনসুলেটে (US Consulate) উন্মত্ত জনতার হামলা ও গুলিবৃষ্টিতে অন্তত আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সংঘর্ষে (Clash) গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন।

খামেনেইর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়। করাচিতে বিক্ষোভকারীরা ওয়াশিংটন ও তেল আভিভের বিরুদ্ধে স্লোগান (Slogan) দিতে দিতে কনসুলেটের দিকে এগোতে থাকেন। এক পর্যায়ে নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে তারা ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন এবং একাংশে আগুন ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস (Tear Gas) ছুড়লেও গুলিবর্ষণের জেরে প্রাণহানি এড়ানো যায়নি। কনসুলেটের কর্মীরা নিরাপদ স্থানে (Safe Location) আশ্রয় নিলেও ভবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এই পরিস্থিতির মাঝেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ইরান যদি কোনও পালটা হামলার (Counter-attack) পথে হাঁটে, তবে আমেরিকা এমন সামরিক শক্তি (Military Force) প্রয়োগ করবে যা বিশ্ব আগে কখনও দেখেনি। ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি (Nuclear Program) নস্যাৎ করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে করাচির এই রক্তাক্ত ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তাকেও চরম হুমকির (Threat) মুখে ফেলে দিয়েছে।

Continue Reading
Advertisement