দেশের খবর
উন্নয়নের নামে রাজনীতি নয়, মিজোরামে রেল চালু করে কটাক্ষ মোদীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ ঐতিহাসিক দিনে রেল মানচিত্রে নতুন সংযোজন মিজোরাম। রাজ্যের রাজধানী আইজলে (Aizawl) প্রথম রেলপথ (Railway Line) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। খারাপ আবহাওয়ার (Bad Weather) কারণে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও, লেঙ্গপুই বিমানবন্দর (Lengpui Airport) থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে (Virtual Mode) উদ্বোধন করেন ভৈরবী-সাইরাং রেলপথ (Bairabi-Sairang Rail Line)।
উল্লেখযোগ্যভাবে, কয়েক বছর আগেই এই প্রকল্পের শিলান্যাস (Foundation Stone) করেছিলেন স্বয়ং মোদী। শনিবার সেই প্রকল্পের উদ্বোধনে পৌঁছে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী আবারও স্মরণ করালেন নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার কথা। বলেন, “উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়ন (Development) সবসময়ই আমার অগ্রাধিকার ছিল। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল শুধুই উন্নয়নের নামে রাজনীতি করেছে। যার ফলে স্বাধীনতার এত বছর পর মিজোরামে রেল পৌঁছল।”
মোদী আরও বলেন, “যেখানে ভোট (Vote) সেখানেই ওদের নজর। জনগণের প্রয়োজন বা উন্নয়ন তাদের কাছে কোনও গুরুত্ব রাখে না।” একপ্রকার কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন বিরোধীদের দিকে।
মিজো জাতির (Mizo People) প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের গঠনে এই জনগোষ্ঠীর অবদান অনস্বীকার্য। সেই মানুষেরই স্বপ্ন পূরণ হল আজ—রেল চলল আইজলের বুকে।
এই প্রকল্পে এখন কলকাতা (Kolkata) থেকে একটানা ট্রেনে চেপেই যাওয়া যাবে মিজোরামে। যা আগে ছিল কল্পনার মতো, এবার বাস্তবে রূপ নিল। রেলপথে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে মিজোরামের যুক্ত হওয়ার ফলে ত্বরান্বিত হবে বাণিজ্য, পর্যটন এবং মানুষের যাতায়াত।
উল্লেখ্য, আইজলের এই উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী যাবেন মণিপুরে (Manipur)। সেখানে চূড়াচাঁদপুর ও ইম্ফলে (Churachandpur & Imphal) একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন। জাতিদাঙ্গার (Ethnic Violence) ২৮ মাস পরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এরপর বিকেলে তিনি যাবেন গুয়াহাটি, যোগ দেবেন ভারতরত্ন ভূপেন হাজারিকার (Bharat Ratna Bhupen Hazarika) জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে।


