মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে জম্মু-কাশ্মীর অচল, বৈষ্ণোদেবী যাত্রা বন্ধ, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১
Connect with us

দুর্ঘটনা

মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে জম্মু-কাশ্মীর অচল, বৈষ্ণোদেবী যাত্রা বন্ধ, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১

Dipa Chakraborty

Published

on

Digital Desk: প্রবল বর্ষণ ও ভয়াবহ ভূমিধসে বিপর্যস্ত হল জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকা। বৈষ্ণোদেবী (Vaishno Devi) যাত্রাপথে অর্ধকুয়ারি অঞ্চলে ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৩ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও উদ্ধারকাজ চলছে জোরকদমে।

মঙ্গলবার দুপুরে ইন্দ্রপ্রস্থ ভোজনালয়ের কাছে আচমকা পাহাড় ধসে নেমে আসে বিপুল পাথর ও বোল্ডার। মুহূর্তে হুড়োহুড়ি শুরু হয় পুণ্যার্থীদের মধ্যে। প্রথমে ৬ জনের মৃত্যুর খবর মিললেও বুধবার সকালে মৃতের সংখ্যা একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৩১-এ। বৈষ্ণোদেবী তীর্থ কর্তৃপক্ষ এক্স (X) হ্যান্ডেলে ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করেছে। দুর্ঘটনার পর আপাতত বৈষ্ণোদেবী যাত্রা স্থগিত রাখা হয়েছে।

তবে শুধু বৈষ্ণোদেবীর যাত্রাপথই নয়, ভয়াবহ বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জম্মু-কাশ্মীরের বহু জেলা। কাঠুয়া (Kathua), ডোডা (Doda), জম্মু (Jammu), সাম্বা (Samba), রামবান (Ramban) ও কিস্তওয়ার (Kishtwar)-এ মঙ্গলবারই জারি হয়েছিল ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। এর মধ্যেই ডোডায় মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে হড়পা বান দেখা দেয়। অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, বহু মানুষ নিখোঁজ।

Advertisement
ads

তাউই নদীর জল বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গেছে, বন্ধ রাখা হয়েছে জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক। ডোডার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাও ভেঙে পড়েছে। প্রশাসন জানায়, রাতভর বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে। ইতিমধ্যেই ধসপ্রবণ এলাকা থেকে বহু বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কাঠুয়ায় ২৪ ঘণ্টায় ১৫৫.৬ মিলিমিটার, ডোডার ভাদেরওয়ায় ৯৯.৮ মিমি এবং জম্মুতে ৮১.৫ মিমি বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ধসকবলিত অঞ্চলে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে চলছে তৎপরতা। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়ে গেছে।

Continue Reading
Advertisement