দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয়, হাসিনা সহ ১২ নেতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ধরপাকড়ের আর্জি
Connect with us

দেশ

দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয়, হাসিনা সহ ১২ নেতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ধরপাকড়ের আর্জি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক স্তরে নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল বাংলাদেশ। দেশটির জাতীয় সেন্ট্রাল ব্যুরো (NCB) সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের কাছে আবেদন জানিয়েছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১২ জন রাজনীতিকের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করা হোক।

১০ এপ্রিল এই সংক্রান্ত আবেদন ইন্টারপোলের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তালিকায় রয়েছেন হাসিনা সরকারের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রাক্তন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, শিক্ষা মন্ত্রকের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী সহ শীর্ষস্থানীয় একাধিক আওয়ামী লীগ নেতার নাম। বাংলাদেশের একাধিক তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির বেনিয়মী ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এসব অভিযোগের অন্তরালে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুনঃ কাঁটাতার নেই, তাই হাঁটতে হাঁটতেই ভারত! শালমারায় ধরা পড়ল বাংলাদেশি যুবক

উল্লেখযোগ্য, এটি কোনও প্রথম ঘটনা নয়। এর আগেও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তরফ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল রেড নোটিসের আবেদন করতে। তবে তখন কার্যকর হয়নি সেই উদ্যোগ। ইন্টারপোল সাধারণত ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে রেড কর্নার নোটিস জারি করে। সদস্য দেশগুলিকে ওই ব্যক্তিদের খুঁজে বার করে গ্রেফতার করতে সাহায্য করে তারা। তবে রাজনৈতিক চরিতার্থতার উদ্দেশ্যে এই ব্যবস্থার অপব্যবহার নিয়ে বরাবরই সতর্ক থাকে ইন্টারপোল।

Advertisement
ads

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, “শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলির অধিকাংশই রাজনৈতিক রঙে রাঙানো। ইন্টারপোল যে শুধুমাত্র শক্তপ্রমাণ সহ সংগঠিত অপরাধেই পদক্ষেপ নেয়, সেই বাস্তবতায় এই আবেদন আদৌ গ্রহণযোগ্য হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।”

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ছাত্র বিক্ষোভের জেরে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর থেকে তিনি ভারতে রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। তবে তাঁর অবস্থান নিয়ে ভারত সরকার এখনো কোনও মন্তব্য করেনি।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি এখন ইন্টারপোলের সিদ্ধান্তের দিকে। রাজনৈতিক অভিযোগের আবরণে আইনি পদক্ষেপ কতটা এগোতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement