কাঁটাতার নেই, তাই হাঁটতে হাঁটতেই ভারত! শালমারায় ধরা পড়ল বাংলাদেশি যুবক
Connect with us

ভাইরাল খবর

কাঁটাতার নেই, তাই হাঁটতে হাঁটতেই ভারত! শালমারায় ধরা পড়ল বাংলাদেশি যুবক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের অভাবে ফের অনুপ্রবেশের ঘটনা। এ বার কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার অন্তর্গত শালমারা বাজার এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় এক বাংলাদেশি যুবককে আটক করল স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। রবিবার সকালে জেলা পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, ধৃত যুবকের নাম সাহিন আলি, বয়স আনুমানিক ২২ বছর। সে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার পাগলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে শালমারা বাজার এলাকায় অচেনা মুখ দেখে প্রথমে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। যুবকটি কোথা থেকে এসেছে, কী উদ্দেশ্যে এসেছে—এই সব প্রশ্নে জেরা শুরু করলে সে নিজেই জানায়, বাংলাদেশের বাসিন্দা সে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে সীমান্ত অতিক্রম করেছে। স্থানীয়রা বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে সাহেবগঞ্জ থানায় জানান। খবর পেয়ে থানার একটি টহলদল ঘটনাস্থলে গিয়ে সাহিনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এরপর তাকে থানায় এনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

আরও পড়ুনঃউর্বশীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড়, ক্ষুব্ধ বদ্রীনাথ ধামের পুরোহিত ও স্থানীয়রা

সাহিন পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, সীমান্তের দীঘলটারী এলাকার কাঁটাতারবিহীন এক খোলা অংশ দিয়ে সে হেঁটে হেঁটে ভারতের ভিতরে চলে আসে। তার দাবি, কোনও অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছিল না—সে নাকি কেবল ঘোরাঘুরির সময় ভুল করে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় এবং বিদেশি নাগরিক আইন অনুযায়ী একটি মামলা রুজু করেছে। পাশাপাশি, বিএসএফ-এর দীঘলটারী বর্ডার আউটপোস্টের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

Advertisement
ads

জেলা পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি অনিচ্ছাকৃত অনুপ্রবেশ। তবে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তের পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার কথা জানানো হয়েছে। দীঘলটারী অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই কাঁটাতারের অভাব নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। ফের একবার এই ঘটনার পর সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক মহলে।

এখন দেখার, তদন্ত শেষে এই যুবকের ভাগ্যে কী সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে—ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি, নাকি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই যেতে হবে তাকে।

Advertisement
ads