ফের রাজ্যে কোভিডের থাবা! দু’জনের দেহে ভাইরাসের হদিশে সতর্কতা
Connect with us

স্বাস্থ্য

ফের রাজ্যে কোভিডের থাবা! দু’জনের দেহে ভাইরাসের হদিশে সতর্কতা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে ফের নাড়া দিয়ে গেল করোনা (Covid-19)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট ২ নম্বর ব্লকে নতুন করে দু’জনের শরীরে মিলেছে সংক্রমণের চিহ্ন। আক্রান্ত একজন কিশোর, অন্যজন তরুণী। তাদের শরীরে নয়া কোভিড ভ্যারিয়্যান্ট (variant) ধরা পড়ার পরই প্রশাসনের তরফে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যদিও এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর (Health Department)।

সূত্রের খবর, ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলার (Diamond Harbour Health District) অধীনে এক রুটিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় ওই দু’জনের দেহে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, সপ্তাহখানেক আগে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এলোমেলোভাবে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফলেই উঠে আসে আক্রান্তদের নাম।

জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান, “বর্তমানে ওই দু’জন বাড়িতেই রয়েছেন এবং সুস্থ আছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। যদিও পরিস্থিতি নজরে রাখতে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃবিরাট-রোহিতের পর অবশেষে টেস্টে নতুন নেতা, বিসিসিআই-র ঘোষণায় চমক

Advertisement
ads

স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিনিয়ত খোঁজ নিচ্ছেন আক্রান্তদের পরিস্থিতির। পাশাপাশি সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সাবধান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশের একাধিক রাজ্যে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে করোনা। কর্নাটক (Karnataka), তামিলনাড়ু (Tamil Nadu), গুজরাট (Gujarat), দিল্লি (Delhi), হরিয়ানা (Haryana), রাজস্থান (Rajasthan) ও সিকিমে (Sikkim) নতুন করে সংক্রমণের খোঁজ মিলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাসের নতুন রূপই এই বৃদ্ধির কারণ।

২০১৯ সালের শেষের দিকে চিন থেকে ছড়িয়ে পড়া এই মারণ ভাইরাস গোটা বিশ্বের জনজীবন তছনছ করে দিয়েছিল। দীর্ঘ লকডাউন, অসংখ্য প্রাণহানি ও আর্থিক বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেও মাঝে মাঝেই ফিরে আসছে সেই অতিমারির ছায়া। ফলে চিকিৎসক মহলের পরামর্শ— এখনই গা ছাড়া মনোভাব নয়, বরং সাবধানতাই একমাত্র অস্ত্র।

প্রয়োজনে মাস্ক পরা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ববিধি মানার উপর জোর দিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তরের আশা, সকলে সচেতন থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement