ডেটিং অ্যাপে আলাপ, প্রেম, তারপর মৃত্যু! কিশোরী হত্যায় গ্রেফতার প্রেমিক ও সঙ্গিনী
Connect with us

বিশ্বের খবর

ডেটিং অ্যাপে আলাপ, প্রেম, তারপর মৃত্যু! কিশোরী হত্যায় গ্রেফতার প্রেমিক ও সঙ্গিনী

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ডেটিং অ্যাপে আলাপ, সম্পর্কের গভীরতা, তারপর মর্মান্তিক পরিণতি! ১৬ বছর বয়সি কিশোরী মিরান্ডা করসেটের নৃশংস হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ৩৫ বছর বয়সি স্টিভেন গ্রেস ও তাঁর সঙ্গিনী মিশেল ব্র্যান্ডেস।

ফ্লোরিডার বাসিন্দা মিরান্ডার সঙ্গে স্টিভেনের পরিচয় হয়েছিল অনলাইনে। কথা বাড়তে বাড়তে প্রেমের রূপ নেয় সম্পর্ক। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইন্স ডে-তে প্রথমবার একে অপরের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। মিরান্ডা স্টিভেনের সঙ্গে তাঁর বাড়িতে যান, যেখানে স্টিভেনের সঙ্গিনী মিশেলও ছিলেন। পরে মিরান্ডা আবারও ফিরে যান স্টিভেনের কাছে এবং সেখানে স্থায়ীভাবে থাকতে শুরু করেন।

আরও পড়ুনঃসম্ভাজি মহারাজের কাহিনির জয়গান বক্স অফিসেও! ‘ছাবা’র আয় ৫০০ কোটি ছাড়াল

২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় অশান্তি। স্টিভেন ও মিশেল অভিযোগ তোলেন, মিরান্ডা তাঁদের আংটি চুরি করেছে। এরপরই তাঁকে বাড়িতে আটকে রাখা হয় এবং চলতে থাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। অভিযোগ, মিরান্ডার মুখে জোর করে ঢোকানো হয় একটি বিলিয়ার্ড বল, যা বাইরে থেকে প্লাস্টিক দিয়ে বাঁধা ছিল। শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয় কিশোরীটির। ২০-২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিরান্ডাকে হত্যা করা হয়। খুনের পর স্টিভেন ও মিশেল দেহটি অন্য এক বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে টুকরো টুকরো করেন এবং প্যাকেটে ভরে তা ডাস্টবিনে ফেলে দেন।

Advertisement
ads

২০ ফেব্রুয়ারির পর থেকে নাতনির সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন মিরান্ডার দিদা। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ৬ মার্চ পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান। তদন্তে নেমে পুলিশ স্টিভেনের বাড়ির সন্ধান পায় এবং সেখান থেকেই স্টিভেন ও মিশেলকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁরা খুনের দায় স্বীকার করেন।

এখনও পর্যন্ত মিরান্ডার দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়নি। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যার মামলা দায়ের করে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement