রাজনীতি
ভোটের মুখে ফের তপ্ত বাংলা! ইডির রাডারে এবার পুলিশকর্তা ও ব্যবসায়ীর বাড়ি
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভোটের (Election) ঠিক আগে ফের একবার তপ্ত বাংলার রাজনীতি। রবিবার সাতসকাল থেকেই শহর কলকাতায় ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) ব্যাপক সক্রিয়তা দেখা গেল। এদিন সকালে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) ডেপুটি কমিশনার (Deputy Commissioner) শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের গোলপার্কের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, বেহালার এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর বাড়িতেও চলেছে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান।
সূত্রের খবর, বালিগঞ্জ অশান্তি ও সোনা পাপ্পু মামলার (Sona Pappu Case) তদন্ত সূত্রেই এই জোড়া হানা। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। সেই সূত্র ধরেই গোয়েন্দাদের নজরে আসেন এই পুলিশকর্তা। উল্লেখ্য, শান্তনু সিংহ বিশ্বাস ইতিপূর্বে কালীঘাট থানার ওসি (OC) থাকাকালীনও একাধিকবার ইডির নজরে এসেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে কয়লা পাচার মামলা (Coal smuggling case) ও মেডিক্যাল এনআরআই (Medical NRI) কোটায় ভর্তির দুর্নীতিতেও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এদিন গোলপার্কের আবাসনের পাশাপাশি পাশের একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও (Training Centre) তল্লাশি চালাতে যান আধিকারিকরা। অন্যদিকে, বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডির একটি বিশেষ দল। সেখানে প্রথমে দরজা না খুললেও, বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Forces) উপস্থিতিতে ভেতরে প্রবেশ করেন তাঁরা।
ভোটের মুখে এই ঘনঘন তল্লাশিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ (Politically motivated) বলে দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সম্প্রতি রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর হানা নিয়ে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের পুলিশকর্তার বাড়িতে এই ইডি হানা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বেই এই ধরণের অভিযানের বৈধতা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।


