SIR ফর্মে ভুল করবেন না! আত্মীয় হিসেবে কার নাম লেখা যাবে জানুন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা
Connect with us

ভোটের খবর

SIR ফর্মে ভুল করবেন না! আত্মীয় হিসেবে কার নাম লেখা যাবে জানুন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ৪ নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে (West Bengal) শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ, যা চলছে বিশেষ সার্ভে বা SIR (Summary Revision of Electoral Roll) প্রক্রিয়ার আওতায়। সকাল থেকেই বুথ লেভেল অফিসাররা (BLOs) হাতে ফর্ম (Form) আর তালিকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহে ব্যস্ত। নতুন ভোটার যুক্ত করা, পুরনো তথ্য সংশোধন—সব মিলিয়ে চলছে প্রবল তৎপরতা।

তবে ভোটারদের একাংশের মধ্যে এখনও প্রশ্ন রয়ে গেছে—এই এনুমারেশন ফর্ম বা গণনা ফর্ম (Enumeration Form) কীভাবে পূরণ করতে হয়? বিশেষ করে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারও নাম না থাকলে ‘রিলেটিভ’ (Relative) হিসেবে কাদের নাম দেওয়া যাবে?

কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, এই গণনা প্রক্রিয়া চলবে ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। অর্থাৎ, প্রায় এক মাস ধরে ঘরে ঘরে গিয়ে BLO-রা ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই সময়ে পূরণ করা গণনা ফর্মে সই করে জমা দিলেই খসড়া ভোটার তালিকায় (Draft Voter List) নাম উঠবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই পর্যায়ে কোনও নথি (Document) জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এক BLO জানান, “গণনা ফর্মের সময় কোনও প্রমাণপত্র দিতে হয় না, শুধু তথ্য পূরণ করলেই হবে। তবে নতুন ভোটারদের (New Voter) জন্য আলাদা করে ফর্ম-৬ (Form-6) পূরণ করতে হবে, যেখানে প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়।”

Advertisement
ads

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Chief Electoral Officer) অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেও জানানো হয়েছে—“শুধুমাত্র খসড়া তালিকা প্রকাশের পর নোটিস (Notice) জারি হলে তখনই প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে।”

এখন প্রশ্ন হলো—SIR ফর্মে আত্মীয় হিসেবে কার নাম দেওয়া যাবে?
কমিশনের উত্তর একেবারে স্পষ্ট—শুধুমাত্র রক্তসম্পর্কিত (Blood Relation) আত্মীয়দের নাম দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, বাবা (Father), মা (Mother), পিতামহ (Grandfather) এবং মাতামহ (Grandmother) —এই চারজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে আত্মীয় হিসেবে নাম দেওয়ার সুযোগ।

এক কমিশন আধিকারিক বলেন, “বয়সের প্রমাণপত্রে যেমন বাবা বা মায়ের নাম থাকে, তেমনই ঠিকানার ক্ষেত্রেও পিতামহ বা মাতামহের নাম উল্লেখ থাকা স্বাভাবিক। তাই এই চারজনের নামই ফর্মে দেওয়া সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও বাঞ্ছনীয়।”

অর্থাৎ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলেও উদ্বেগের কিছু নেই। বাবা-মা বা পিতামহ-মাতামহের নাম উল্লেখ করে সহজেই সম্পূর্ণ করা যাবে গণনা ফর্ম। শুধু সময় মতো সই করে ফর্ম জমা দিন—আর নিশ্চিত করুন খসড়া ভোটার তালিকায় আপনার নাম!

Advertisement
ads