আত্মহত্যা
ধনিয়াখালিতে এনুমারেশন ফর্ম না পেয়ে বিষপান করা আশার মৃত্যু এসএসকেএমে
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভোটের এনুমারেশন ফর্ম (Enumeration Form) না পাওয়ায় বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন হুগলির (Hooghly) ধনিয়াখালির (Dhaniakhali) বাসিন্দা আশা সোরেন (Asha Soren)। সোমবার এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) মৃত্যু হল তাঁর। যদিও তাঁর ছয় বছরের মেয়ের (Daughter) অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।
পরিবারের দাবি, কয়েকদিন আগেই আশার বাপের বাড়ির সদস্যদের হাতে এসআইআর (SIR)-সংক্রান্ত কাগজপত্র (Documents) তুলে দিয়েছিলেন বিএলওরা (BLOs), কিন্তু আশা নিজে সেই ফর্ম পাননি। শেষ ভোট (Vote) তিনি দিয়েছিলেন শ্বশুরবাড়িতে (In-laws’ House) থেকে, যার জেরে এবার ফর্ম না পেয়ে আতঙ্কে ভুগছিলেন তিনি।
পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত থাকায় কোনও সহযোগিতা পাননি আশা। মানসিক অবসাদে (Depression) ভুগছিলেন ২৭ বছরের এই তরুণী। শনিবার সকালে নিজের ছয় বছরের মেয়েকে নিয়ে কীটনাশক (Pesticide) খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে (Local Hospital) ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার এসএসকেএমে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি—সোমবার সকালে মৃত্যু হয় আশার।
ধনিয়াখালির বিধায়ক অসীমা পাত্র (Asima Patra) মৃতার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি জানান, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) বিষয়টি জানার পরই চিকিৎসার (Treatment) সবরকম ব্যবস্থা করেন। আমরা পরিবারের পাশে আছি।”
আশার দাদা অমর মুর্মু (Amar Murmu) বলেন, “বোন বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে থেকেই ভোট দিয়েছিল। ওখানেই নাম ছিল, তাই এখানে ফর্ম পায়নি। অনলাইনে (Online) করে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ওর ভয় কাটেনি।”
এই মর্মান্তিক ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে কানানদী (Kananadi) গ্রাম। পুরো এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।


