জেলার খবর
ভূতুড়ে ভোটারের খোঁজ মিলল, খোদ পুরসভার কাউন্সিলরের মেয়ের
নিউজ ডেস্ক: ভূতুড়ে ভোটার তদন্ত করতে গিয়ে দেখা গেলো খোদ পুরসভার কাউন্সিলরের মেয়ের নামেই ভোটার তালিকায় গন্ডগোল। শুধু কাউন্সিলারের মেয়ে নয় একই ওয়ার্ডের আরও এক বাসিন্দা তারও গন্ডগোল দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডের পাশাপাশি ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও ভূতুড়ে ভোটার খোঁজ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে।
সমীর সরকার নামের দিনহাটা শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অভিযোগ করেন তার তার মেয়ে লিজা সরকারের এপিক কার্ডের যে নম্বর রয়েছে সেই নম্বর অনলাইনে সার্চ করলে দেখা যাচ্ছে দিনহাটা বিধানসভারই অন্য একটি বুথের ভোটারের নাম।
আবার একই ওয়ার্ডের আরও এক বাসিন্দা সুমন সাহা, তারও এপিক নম্বর অনলাইনে সার্চ করলে সেখানেও দেখাচ্ছে একই বিধানসভার অন্য এলাকার ভোটারের নাম। শুধু পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড নয় ভোটার তালিকায় গন্ডগোল খুঁজে পাওয়া গিয়েছে পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও।
৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোমা সরকারের এপিক নম্বর মিলে যাচ্ছে মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা মুন্নির সাথে। এ বিষয়ে ১৫ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উভয়ই অভিযোগ করেন বিজেপি ইচ্ছে করেই যে সমস্ত বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় রয়েছে,সেই বিধানসভা গুলিতে এপিক নম্বরে গন্ডগোল পাঠিয়ে দিয়েছে।
আরও পড়ুন-জনগণের অর্থের অপব্যবহার! আরও বিপাকে কেজরি, এফআইআরের নির্দেশ
১৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমির সরকার বলেন,আমার মেয়ের ভোটার কাডের এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করলে সেখানে মাম্পি দাস সাহা, অন্য জায়গার নাম দেখাচ্ছে। তিনি বলেন, এটা বিরোধী দলগুলো উদ্দেশ্যপ্রন্দিত ভাবে করছে এগুলো ।
৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলু সাহ বলেন, বাড়ি বাড়ি এপিক নম্বর চেক করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে সুমন সাহার এপিক নম্বর মিলে যাচ্ছে একই বিধানসভার অন্যে এলাকার একজনের সাথে। খোঁজ করলে আরও মিলবে বলে জানান তিনি।
তৃণমূল কংগ্রেসের শহর ব্লক সভাপতি বিশু ধর বলেন, এবারে আমরা প্রথম এটা পেলাম দিনহাটা ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোমা সরকারের এপিক নম্বর
মিলে যাচ্ছে মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা মুন্নির সাথে।তিনি বলেন,বিজেপি দলের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন জালিয়াতি করেছে সুদূর সীমান্ত অঞ্চল দিনহাটায়ও।
৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোমা সরকার বলেন,আমি এই এপিক নম্বর দিয়েই ভোট দিয়ে আসছি কিন্তু এখন দেখছি যে এই এপিক এ দুটো নাম আছে। আগামীতে ভোট দিতে পারবো কি না সেটাই এখন ভাবছি।কাউন্সিলরার আমাকে জানানোর পরই আমি জানতে পারি।
