জবরদখলকারীদের সরিয়ে দোকান বিলি করা হল প্রকৃত প্রাপকদের, ঘটনায় প্রশাসনিক কর্তাদের ঘিরে বিক্ষোভ উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের
Connect with us

মালদা

জবরদখলকারীদের সরিয়ে দোকান বিলি করা হল প্রকৃত প্রাপকদের, ঘটনায় প্রশাসনিক কর্তাদের ঘিরে বিক্ষোভ উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের

Dipa Chakraborty

Published

on

নিজস্ব সংবাদদাতা , হরিশ্চন্দ্রপুর , ০৫ জানুয়ারী : অবৈধভাবে জবর দখল করে থাকা দৈনিক বাজারের স্টল থেকে সরিয়ে দেওয়া হল দখলকারী দোকানিদের।ঘটনায় চাঞ্চল্য হরিশ্চন্দ্রপুরে ডেইলি মার্কেট চত্বরে। মঙ্গলবার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা গিয়ে তাদের দোকান থেকে বের করে দেন।জবরদখল করে থাকা দোকানীদের হটিয়ে তারপর তা প্রকৃত প্রাপকদের হাতে তুলে দেয়।

এদিন এই উচ্ছেদ কর্মসুচীতে ছিলেন মালদার অতিরিক্ত জেলাশাসক, হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বিডিও অনির্বান বসু, জেলা পরিষদের শিশু, নারী ও ত্রান কর্মাধ্যক্ষ মার্জিনা খাতুন, আইসি সঞ্জয় কুমার দাস সহ অন্যান্য আধিকারিকেরা। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর দৈনিকবাজারে ২০০৬ সালে ওই স্টল তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তত্কালীন জেলা পরিষদ বোর্ড। যেখানে দোকানঘর তৈরি হয় সেখানে আগে থেকে গুমটিঘর বা ত্রিপল পেতে দোকান করতেন কিছু ব্যবসায়ী! তাদের পাকা দোকানঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর প্রায় কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ২০১৪ সালে দোকানঘর তৈরির কাজ শেষ হয়। এখানে রয়েছে ২৪টি স্টল। সেসময় জেলা পরিষদে ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। লটারি করে ঘর বিলি করার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, দোকানঘর তৈরি হলেও অনিয়ম করে তা প্রকৃত দোকানীদের পরিবর্তে ক্ষমতাশালী দের দেওয়া হয়। সঞ্জীব গুপ্তা নামে এক এলাকার বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, সরকারী চাকুরিজীবি, রাজনৈতিক দলের নেতারা এই ডেলি মার্কেটে একাধিক ঘর পেয়েছে। ফলে বঞ্চিত হয়েছে প্রকৃত প্রাপকেরা। এদিন উচ্ছেদের ঘটনায় প্রশাসনের আধিকারিকদের ঘিরব বিক্ষোভ দেখান উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীরা। পরে প্রশাসনিক কর্তাদের আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।যদিও জেলা পরিষদের শিশু, নারী ও ত্রান কর্মাধ্যক্ষ মার্জিনা খাতুন জানিয়েছেন, যারা কুপন কেটেছিল তারাই এখানে ঘর পেয়েছে। ঘর বিলিতে কোন অনিয়ম হয়নি। যাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের জন্যও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

Continue Reading
Advertisement