জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন প্রধানমন্ত্রী!’ মোদির ভাষণের পাল্টায় গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা
Connect with us

রাজনীতি

জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন প্রধানমন্ত্রী!’ মোদির ভাষণের পাল্টায় গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill) এবং আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন (Delimitation) ইস্যুকে কেন্দ্র করে দিল্লি ও কলকাতার সংঘাত এবার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাল। শনিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) ভাষণের কড়া সমালোচনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। রবিবার একটি দীর্ঘ সোশ্যাল মিডিয়া (Social media) পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ এবং ‘সত্যের অপলাপ’ বলে বর্ণনা করেছেন।

Advertisement
ads

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী সততার সঙ্গে সমস্যার সমাধান না করে জাতিকে বিভ্রান্ত (Misleading) করার পথ বেছে নিয়েছেন। মোদি তাঁর ভাষণে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মহিলাদের সুযোগ নষ্ট করার যে দাবি তুলেছিলেন, তার পাল্টা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা সদস্যদের প্রায় ৩৭.৯ শতাংশ এবং রাজ্যসভায় ৪৬ শতাংশই মহিলা প্রতিনিধি। সংসদ ও বিধানসভায় তৃণমূলেরই নারী সদস্য সংখ্যা দেশের অন্য অনেক দলের তুলনায় সর্বোচ্চ।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান যে, তৃণমূল সংরক্ষণের বিরোধিতা করছে না, বরং আপত্তি বিলটির সঙ্গে আসন পুনর্বিন্যাস (Delimitation) জুড়ে দেওয়া নিয়ে। তাঁর দাবি, বিজেপি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং নির্দিষ্ট কিছু রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়িয়ে রাজনৈতিক আধিপত্য (Political hegemony) কায়েম করতে মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। মমতা একে বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান বদলানোর চেষ্টা এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর (Federal structure) ওপর সরাসরি আঘাত বলে অভিহিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “২০২৩ সালে বিল পাশ হওয়ার পর কেন তা কার্যকর করতে তিন বছর সময় নেওয়া হলো? কেন নির্বাচনের মুখে তড়িঘড়ি আসন পুনর্বিন্যাসের শর্ত জুড়ে দেওয়া হলো?” প্রধানমন্ত্রীর এই আচরণকে ‘ভণ্ডামি’ (Hypocrisy) বলে উল্লেখ করে মমতা পরামর্শ দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী যেন সাহস করে সংসদে দাঁড়িয়ে ভাষণ দেন, কারণ সেখানে তিনি জবাবদিহি (Accountability) করতে বাধ্য থাকবেন। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ক্ষমতা হাতছাড়া হওয়ার ভয়েই কেন্দ্র এখন মরিয়া হয়ে বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement