জমি নিয়ে বিবাদের জেরে উত্তেজনা, মহিলাকে বেঁধে মারধর
Connect with us

রায়গঞ্জ

জমি নিয়ে বিবাদের জেরে উত্তেজনা, মহিলাকে বেঁধে মারধর

Dipa Chakraborty

Published

on

এবারের মধ্যযুগীয় বর্বরতার ছবি রায়গঞ্জে। জমি নিয়ে বিবাদের জেরে এক মহিলাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী এক পরিবারের বিরুদ্ধে। বুধবার এই ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ থানার অন্তর্গত বড়ুয়া মন্ডলপাড়া এলাকায়। এই ঘটনা নিয়ে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় গ্রামে। আক্রান্ত মহিলার নাম সাবানা খাতুন।

যানজট রুখতে টোটোতে কালার কোড, হতাশ টোটোচালকরা

মসলেমা খাতুন ও হাসেম আলীর পরিবারের মধ্যে বিবাদ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। মসলেমা খাতুনের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশে অভিযোগ জানানোর পর অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগ। বুধবার মসলেমার পুত্রবধূ সাবানাকে বেঁধে মারধর করা হয়। যদিও পাল্টা মসলেমা ও সাবানার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে হাসেম আলীর পরিবার। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

আচমকা নির্দিষ্ট একটি ডিস্ট্রিবিউটর পয়েন্টে গ্যাস সংকট

Advertisement
ads

মসলেমা খাতুন বলেন, তার ছেলের কাছ থেকে হাসেমের ছেলে পেশায় সিভিক ভলেন্টিয়ার মইনুদ্দিন ৬ শতক জমি দেবে বলে ৯ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছিল। কিন্তু পরে দেখা যায় জমির পরিমান ৩ শতক। এর প্রতিবাদ জানান মসলেমার পরিবার। তারা টাকা ফেরত চান। সিভিক ভলেন্টিয়ার মঈনুদ্দিন কদিন ঘুরিয়ে উধাও হয়ে যায়। এই নিয়েই ঝামেলা সূত্রপাত। মসলেমা জানান, তারা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করায় হাসেমের পরিবার ও তাদের লোকজন বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর ও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। বুধবার মসলেমার পুত্রবধূকে আক্রমণ করা হয়। তাকে বেঁধে রাখা হয়। হাসেম আলী পাল্টা মসলেমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।

কেনো জামিন হলো না পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

তিনি জানিয়েছেন, বাড়ির সামনে থাকা পুকুরে লিজ গ্রহীতাদের মাছ ধরার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হচ্ছে। মিথ্যে মামলা করা হচ্ছে। বুধবার মুসলিম আর পুত্রবধূ তাদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করতে আসে। এরপরই তার বাড়ির মহিলারা সাবানাকে ধরে বেঁধে রাখে।খবর পেয়ে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ গিয়ে সাবানাকে উদ্ধার করে। সাবানা জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা রাস্তা থেকে তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে বেঁধে রাখে। তার দুটি মোবাইল ফোন এবং ২০ হাজার টাকা ছিনতাই করা হয়েছে। পুরোনো ঝামেলা নিয়ে থানায় অভিযোগ করার জন্যই এই ঘটনা ঘটিয়েছে অভিযুক্তরা।পঞ্চায়েত সদস্যার প্রতিনিধি ননীগোপাল বর্মন বলেন, পুলিশ আইন অনুযায়ী তদন্ত করছে। তদন্ত করে যারা দোষী প্রমাণিত হবে তাদের শাস্তি হোক। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

Advertisement
ads